ফিফা ওয়াল্ড কাপ ২০২৬

ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ভিনি

রদ্রিগো ও এস্তেভাওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা ছিলেন না। তাদের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের হেক্সা শিরোপা মিশনের মূল ভরসা ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। পাঁচ ম্যাচে চার গোল ও এক অ্যাসিস্টে আস্থার প্রতিদান ঠিক দিতে পেরেছেন। কিন্তু তার দল নরওয়ের কাছে হেরে শেষ ষোলোতে বিদায় নিয়েছে। তাতে করে ব্রাজিলের ষষ্ঠ শিরোপার অপেক্ষা অন্তত ২৮ বছরে পৌঁছাল। সেলেসাওদের স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থতার কারণে প্রচণ্ড হতাশাবোধ হচ্ছে ভিনিসিয়ুসের। ভক্ত-সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ব্রাজিলের বিদায়ে নিজের ভাবনার কথা ভক্ত-সমর্থকদের জানাতে কিছুদিন সময় নেওয়ার কথা বললেন তিনি। ভিনিসিয়ুস বললেন, ‘প্রায় চার বছর পর, বিশ^কাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার এক চরম হতাশার পর আবারও কী লিখব, আমি সেই ভাবনা খুঁজে বেড়াচ্ছি।’ ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি আরও বললেন, ‘সব বয়সী অসংখ্য মানুষকে আমি আমাকে সমর্থন করতে এবং আমাদের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরতে দেখেছি। আর তাই এই মুহূর্তে চুপ থাকাটা অন্যায় হবে। তবে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য আমার কয়েকটা দিনের প্রয়োজন ছিল।’ গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই গোল করা এই ফরোয়ার্ড হতাশ, ‘জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়। আর বিশ^কাপের শেষ ১৬ থেকে ছিটকে যাওয়ার অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই খুব কঠিন।’ ভক্তদের আশাহত করে দুঃখিত ভিনিসিয়ুস, ‘আমি জানি আমি কতটা কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা মনোযোগী ছিলাম এবং আপনাদের সবার জন্য ও আমার পরিবারের জন্য আমি এটা কতটা তীব্রভাবে চেয়েছিলাম।’ আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর আশ^াস দিলেন তিনি, ‘হতাশার এই অনুভূতিটা তীব্র। আমাদের দলটা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে আরও অনেক দূর যাওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু আমরা তা পারিনি। আমি ক্ষমা চাই এবং আমি আবারও বিশে^র চূড়ায় পৌঁছানোর আমাদের এই স্বপ্নের জন্য লড়াই করব।’

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!