
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুর জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ও জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতির মধ্যে কথোপকথনের ফোনালাপের অডিও রেকর্ড বিকৃতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে প্রচার করে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শেখ মোঃ আব্দুস সোবহান।
সোমবার দুপুরে জামালপুর সদর উপজেলা অফিস সংলগ্ন জেলা শ্রমিকদলের সভাপতির ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শেখ আব্দুস সোবহান জানান, গত এপ্রিল মাসে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ছনকান্দা-চরযথার্থপুর বালুমহালের ইজারার দরপত্র আহ্বান করা হয়।
তিনিসহ একাধিক ব্যক্তি দরপত্রের সিডিউল ক্রয় করেন। দরপত্র জমা দেওয়ার আগের দিন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমীন মিলন এবং জেলা মৎসজীবী দলের সভাপতি আঃ হালিম সিডিউল ক্রয়কারীদের স্থানীয় এমপির ব্যক্তিগত চেম্বারে ডেকে নেন এবং সেখানে সমঝোতার জন্য আলোচনা হয়। সেখানে ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলামের ‘আমেনা এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে সর্বোচ্চ দরদাতা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।
পরবর্তীতে সিডিউলগুলো সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন মিলন ও জেলা মৎসজীবী দলের আহবায়ক আঃ হালিম সংগ্রহ করেন এবং তিনটি সিডিউল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের টেন্ডার বাক্সে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সমঝোতার বাইরে গিয়ে গোপনে আমেনা এন্টারপ্রাইজের বিডি সরিয়ে ফেলে শামীম এন্টারপ্রাইজ, যা শামীম মাস্টারের স্ত্রীর নামে লাইসেন্সকৃত, সেটিকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে জমা দেওয়া হয়। এতে বালুমহাল সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে কথা বলতে তিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আঃ হালিমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। সেই কথোপকথনের একটি অংশ কেটে-ছেঁটে বিকৃতভাবে রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে, যা গত দুইদিন ধরে প্রচারিত হচ্ছে। এতে তাকে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই পরিকল্পিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।




