খাল পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কমবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূর করা সম্ভব নয়। গতকাল সোমবার গুলশান-২ এর ১০৪ নাম্বার রোডে মানারত বিশ^বিদ্যালয়ের সামনে লেকের পাড় ভাঙন ও বৃষ্টির পানি জমে থাকা স্থান পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন। এসময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভবিষ্যতে যেকোনো লেক পারের রাস্তার ভাঙন রোধসহ বৃষ্টির পানি যেন আর জমে না থাকে সেজন্য রাজউক ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন ডিএনসিসির প্রশাসক। প্রশাসক বলেন, আমরা যদি নগরবাসী সবাই সচেতন হই এবং ড্রেন ব্যবস্থা যদি আরো উন্নত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি আর কোনো রাস্তায় জমে থাকবে না। প্রশাসক নগর নগরবাসীকে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলাসহ ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যেসব খাল বেদখল হয়ে গেছে, সেগুলো দখলমুক্ত করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে। খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূরী করা সম্ভব নয়। তাই নগরকে বাঁচাতে হলে এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নগর গড়ার জন্য খালগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন। প্রশাসক জানান, এরইমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল ও ড্রেন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করার কারণে ঢাকা শহরের মশা অনেকটাই কমে গেছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রুত অপসারণসহ ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে সেজন্য সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন। পরে প্রশাসক খিলক্ষেতের নামাপাড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি নামার উপযোগী করার নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনের সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




