দেশে ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন

৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন। গতকাল রোববার নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এতথ্য জানান। তিনি বলেন, সবশেষ হালনাগাদে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন ভোটার বেড়েছে। সব মিলিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেবে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ জন ভোটার। আখতার আহমেদ বলেন, ভোটের সময় পেছানো হলে ভোটার নিবন্ধন সময় বাড়ানো হবে। এক্ষেত্রে তাদের সমপূরক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এদিকে খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি-নিষ্পত্তি শেষে আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে ইসি। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ চূড়ান্ত হালনাগাদ অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন ও হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৪৩ জন। আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় ইসি। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন ও পৌরসভা ভোট আগে করার পরিকল্পনা নিয়েছে সংস্থাটি। ভোটার তালিকার দাবি, আপত্তি ও সংশোধনসংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে ১৫৪ জন কর্মকর্তাকে সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলা ও বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মোট ১৫৪ জন কর্মকর্তাকে সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, আপত্তি এবং তথ্য সংশোধনসংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ফরম-৬-এর মাধ্যমে দাবি, ফরম-৭-এর মাধ্যমে আপত্তি এবং ফরম-৮-এর মাধ্যমে সংশোধনের আবেদন নেওয়া হবে। ইসির ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করা হবে। সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ ২৭ আগস্টের মধ্যে এসব আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। আবেদনগুলোর ওপর গৃহীত সিদ্ধান্ত ২৮ আগস্টের মধ্যে তালিকায় সংযোজন করা হবে এবং ৩১ আগস্ট হালনাগাদকৃত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর সংশোধনী আনার লক্ষ্যে খসড়া প্রস্তাবনা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে আচরণ বিধিমালাগুলো গতকাল রোববার আইন মন্ত্রণালয় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের আচরণ বিধিমালা। তিনি আরও বলেন, আইনের ব্যাপারটা এখনো পর্যন্ত পাঠানো হয়নি। নথিটা প্রক্রিয়াজাত আছে, এটা সম্পন্ন হয়ে গেলে সেটাও পাঠিয়ে দেব।




