বর্তমান সরকার পরিবেশের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ব্যবসা করবো পাশাপাশি পরিবেশকে সুরক্ষা করতে হবে। আমাদের প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এই সরকার পরিবেশের ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক। আমরা গাছ লাগানো, নদী ও খাল খননের মতো প্রকল্প নিয়েছি। গতকাল সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিতর্ক উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন। এদিন ‘যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীল চিন্তাধারা উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার উদ্যোগে এই বিতর্ক উৎসবের আয়োজন করা হয়। শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যে সব ইন্ডাস্ট্রি পরিবেশ দূষণ করছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হবে। আমরা চেষ্টা করবো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমাদের প্রাণ প্রকৃতি নদীর মৎস্য সম্পদ যেন পুনরুদ্ধার করতে পারি। তিনি আরও বলেন, পানি দূষণের মূল কারণ হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। ইটিপি প্লান্টগুলো আছে সেগুলো ভালোভাবে কাজ করছে না। সবগুলোতেই নদীতেই এই ধরণের সমস্যা হচ্ছে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর যতগুলো পাওয়ার প্লান্ট আছে সবগুলোকে অনলাইনের ট্র্যাকিংয়ে নিয়ে আসছি। তারা ইটিটি মেইনটেন্যান্স করছে কিনা। নারায়ণগঞ্জেও দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করছি। এসব বিষয়ে খুব দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদী বাঁচাতে হলে আমাদের সভ্যতাকে চাঁচাতে হলে এগুলোর কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনবল কম থাকলেও আন্তরিক থাকলে কাজ করা যায়। কারণ জেলা প্রশাসন প্রত্যেকটি উদ্যোগের পাশে থাকে। পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কাজ করতে হবে। এখানে দুর্বলতা প্রকাশ করে কোনো লাভ নেই। বর্তমানে সরকারের এজেন্ডা পরিবেশ সুরক্ষা যারা চাকরি করছে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করলে তদের বুঝা উচিত কিভাবে কি করতে হবে। ইটভাটা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৮ হাজার ইটভাটার মধ্যে ৫ হাজার ইটভাটা অবৈধ। ইটভাটা পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ। ইটাভাটার ব্যাপারে আমাদের কাজ চলছে। ইটের বিকল্প এখনও হয়নি। আমরা চেষ্টা করবো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার জন্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।




