শেয়ারবাজারে বড় দরপতন

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। এদিন যে কয়টি সিকিউরিটিজের দাম বেড়েছে, তার চেয়ে প্রায় ৯ গুণ বেশি সংখকের দরপতন হয়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূল্যসূচকেও বড় পতন হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার এই শেয়াবাজারে চলতি মাসেন সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতনের মধ্যে দিয়ে। দিনের শেষ পর্যন্ত দরপতলের এই ধারা অব্যাহত ছিল। এতে দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮৯টি শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬ টির, কমেছে ৩১৯ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির দাম। দাম কমার তালিকা প্রায় ৯ গুণ বড় হওয়ায় ডিএসইর ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৮৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএস-৩০ সূচক সাড়ে ৩৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস শরীয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১২৯ পয়ন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট ৮৭৬ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মাধ্যমে চলতি জুন মাসে প্রথমবার হাজার কোটি টাকার নিচে লেনদেন হলো দেশের প্রধান এই শেয়ারবাজারে। গত রোববার ঢাকার এই শেয়ারবাজারে ১ হাজার ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়। সে হিসেবে আগের দিনের তুলনায় গতকাল লেনদেন কমেছে প্রায় ১২৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৩৯টি শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ৩৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮১টির দাম এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বড় এই দরপতনের কারণে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে নেমেছে। চট্টগ্রামের এই শেয়ারবাজারে মোট ৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ।




