প্রধান খবরসারাদেশ

হাওরে বিপর্যয়ে দায়ীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) ও বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সভাপতি দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুইটা দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। আমরা আজ দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করে গেলাম। এটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাওর অঞ্চলে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জন্য দায়ী পাউবো ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের গাফিলতির দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় তিনটি খাত হলো ফসলের উৎপাদন, গার্মেন্ট শিল্পের সস্তা শ্রমিক, বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই সবগুলোর যোগান দেয় এই বাংলার কৃষক পরিবার। অথচ কৃষকদের তাকিয়ে নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন না। বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম বলেন, হাওরের সাতটি জেলার কৃষকের ধান ডুবেছে, স্বপ্ন ডুবেছে। ২০১৭ সালের বন্যাতেও ডুবেছিল, প্রতিবারই ডোবে। এই রাষ্ট্রের কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াটাই নিয়তি। হাওরের এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের পেছনে দায়ী পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুন করে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজাতে হবে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আলিফ দেওয়ান, বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ, বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির অর্থ সম্পাদক কামরুল হাসান লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!