সারাদেশইসলাম ও জীবন

সৌদির সাথে মিল রেখে জামালপুরের ২১ গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

মোত্তাছিম বিল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা গেলেও সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালান করছেন জামালপুরের তিন উপজেলার ২১ গ্রামের মানুষ।
শুক্রবার সকালে জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন ওই ২১ গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলমান। জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টার বাড়ী জামে মসজিদের ঈমাম আজিম উদ্দিন মাস্টার বলেন, আমরা রমজানের রোজা থেকে শুরু করে সকল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রাচ্যের সময়সূচি অনুসরণ করে থাকি। ঈদুল আজহার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়।
সৌদি আরবের সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র কয়েক ঘণ্টা, তাই আমরা একদিন পূর্বেই ঈদ উদযাপন করি। এখানে শতাধিক নারী-পুরুষ ঈদের জামাত আদায় করেন। একদিন আগে ঈদ পালন করা মুসল্লিরা জানান, জেলার ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলার ২১ গ্রামের আংশিক মুসলমানরা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামভদ্রা, সাপধরীর ইউনিয়নের পশ্চিম মন্ডলপাড়া, সরিষাবাড়ি উপজেলার বলারদিয়া, বাউসী, সাতপোয়া, পঞ্চপীর, সাঞ্চারপাড়, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড়, মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়াপাড়াসহ ২১টি গ্রামের মানুষ আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছেন।
ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলাম বলেন, অনেকদিন থেকে প্রতিবছর রোজা, তারাবি ও ঈদ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আদায় করি। শুরুতে মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া দিত না, এখন দিন দিন মানুষ বাড়তেছে। মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়ারপাড়া এলাকার আমির আলী বলেন, ঈদ পালনের জন্য অনেকে আমাদের বিরোধিতা করে আবার অনেকে সমর্থনও করে। একইদিন চাঁদ ওঠে তাই আমরা একইদিন ঈদ পালন করি।
এর আগে, দেশের আকাশে কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা না গেলেও একই নিয়মে রোজা রাখেন ওই ২১ গ্রামের মানুষ। তবে ওই ১৭টি গ্রামের মানুষের মধ্যে আজ কিছু অংশ ঈদ উদযাপন করলেও বেশিরভাগ মানুষ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী দেশের আকাশে চাঁদ দেখে ঈদ পালন করার কথা জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!