সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের দিনের ধারাবাহিকতায় সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূল্যসূচকেও পতন হয়েছে। তবে বিক্রয় আদেশের পাশাপাশি অনেকগুলো সিকিউরিটিজে ভালো ক্রয় আদেশ থাকায় সার্বিকভাবে বাজারে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বেশিরভাগ সিকিউরিটিজ দরবৃদ্ধির তালিকায় থাকে। এরপর ধীরে ধীরে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান দরপতনের তালিকায় যুক্ত হতে থাকে। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে দুই-তৃতীয়াংশ সিকিউরিটিজ দরপতনের তালিকায় চলে যায়। এরপর কয়েকটি শেয়ার ও ইউনিটের দাম আবারো বাড়লেও দিনশেষে দরপতনের তালিকাই বড় রয়ে যায়। লেনদেন শেষে ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া সিকিউরিটিজগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১২০টির, বিপরীতে ২০৭টির দর কমেছে। আর ৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হওয়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৩২ পয়েন্টে নেমেছে। এছাড়া শরিয়াহ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসইএস ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬০ পয়েন্টে এবং বাছাই করা ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৮২৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ দিনের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ২৮ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭২৪ পয়েন্টে নেমেছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯২ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ৮১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৯০টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।




