গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার মেগাওয়াট

দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২,০২২ মেগাওয়াট বলে সংসদীয় কমিটিতে জানানো হয়েছে। গতকাল শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান অংশ নেন। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিবিতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে যেখানে প্রকল্প সাহায্য ১০,৬৫৩.০০ কোটি টাকা, জিওবি ৪,০৭১.৩৯ কোটি টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩,৩৮১.৮০ কোটি টাকা। বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২,০২২ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৪০০০-৫০০০ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৯২৭ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ৫,০০০-৬,০০০ মেগাওয়াট, তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৬,৪০৯ মেগাওয়াট আর প্রকৃত উৎপাদন ২,৫০০-৩,০০০ মেগাওয়াট। বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেওয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০.৫০ টাকা পাবেন। এছাড়া কমিটি রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে কতটুকু বিদ্যুৎ ন্যাশনাল গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তা আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে। কমিটি কর্তৃক কিছু প্রশ্ন সম্বলিত লিখিত পেপার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়, যা আগামী বৈঠকে উত্তরসহ উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




