রোবো কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে ভূমিকা রাখবে: শিক্ষা উপদেষ্টা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) রোবো কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল) বুয়েট রোবো কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এটি শুধু একটি প্রযুক্তি প্রদর্শনী নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা নির্মাণের একটি শক্তিশালী ও সময়োপযোগী প্ল্যাটফর্ম। সি আর আবরার বলেন, বিশ্ব বর্তমানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, বিগ ডাটা, আইওটি এবং অটোমেশন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত কেবল ডিগ্রি প্রদান নয়; বরং দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-সচেতন মানবসম্পদ তৈরি করা। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এই রোবো কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং গবেষণা ও শিল্প খাতের বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে। বুয়েটের মতো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার যৌথ উদ্যোগ একটি অনন্য ও দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ হয়ে থাকবে। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শক্তি ও বিদ্যুৎ খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও শিল্প খাতের মধ্যে শক্তিশালী ও কার্যকর সহযোগিতা অপরিহার্য।




