ত্রিশালে মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যসহ ভাই-ভাতিজার উপর হামলা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় চাচাতো ভাইয়ের ছেলেকে মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কাঁঠাল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও তার ভাই-ভাতিজার উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইউপি সদস্যের ভাই। রবিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের বীলবোকা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের বীলবোকা গ্রামে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মুসকুট শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তার বাড়ির পাশে তারই চাচাতো ভাইয়ের ছেলে এহিয়াাকে(২০) মাদক সেবন করতে দেখে বাঁধা দেয় এবং বকাঝকা করে। এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য আবু সাঈদের সাথে এহিয়াসহ তার পরিবারের সদস্যরা বাকবিতন্ডায় জড়ালে পরিবারের লোকজন এসে ঝগড়া থামিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার বেলা ১১টার দিকে ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মুসকুট ও তার ভাই আবু আলা মওদুদী ওরফে মোনাক্কা বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা এহিয়া, তার বাবা আনিসুর রহমান আনিস, মা সারজিনা বেগম, বোন হাফসা, হাওয়া, এলমিন, তার চাচা আনোয়ার শাহাদাত, খালাতো ভাইসহ বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মুসমুটের ভাতিজা সাদেক হোসেন জিহাদ, জিহাদের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী হামলা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। এ সময় আবু আলা মওদুদী ওরফে মোনাক্কার মাথায় রাম দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে এবং ইউপি সদস্য মুসকুট ও ভাতিজা জিহাদকেও গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবারের লোকজন আবু আলা মওদুদী মোনাক্ককে মুর্মুর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে এক মাথায় দশটি সেলাই দিতে হয়। এছাড়াও ইউপি সদস্য আবু সাঈদ মুসকুট ও সাদেক হোসেন জিহাদকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হামলাকারী এহিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ত্রিশার থানার ওসি (তদন্ত) শেখ গোলাম মোস্তফা রুবেল জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




