জাতীয়প্রধান খবর

গণমাধ্যমের ওপর আধিপত্য বিস্তারের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্য উপদেষ্টা

গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, মিডিয়ার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে সরকারের কোনো লাভ নেই। এ ধরনের কাজ স্বৈরাচারী সরকারই করে। প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলেও বর্তমান সরকার তা আগের সরকারের মতো অপব্যবহার করবে না। গতকাল শনিবার রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন ও গণমাধ্যমের প্রস্তাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনটি এখনও প্রস্তাবিত পর্যায়ে রয়েছে, চূড়ান্তভাবে পাস বা কার্যকর হয়নি। ফলে গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে আইনটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতা এককভাবে দখলে রেখে গণমাধ্যমের ওপরও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করেছিল। বর্তমান সরকারের এমন কোনো অভিপ্রায় নেই। এই সরকার গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। এই সরকার হাসিনা সরকার হবে না মন্তব্য করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার আগামী দিনেও সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হতে চায়। অনলাইন মাধ্যমে ‘ডিসইনফরমেশন’ বা অপতথ্য ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অপতথ্য তৈরি ও প্রচার রোধে কার্যকর আইনি বিধান থাকা জরুরি। অতীতে অপতথ্য ও গুজব ছড়িয়ে দাঙ্গা বাধানোর ঘটনাও ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধের জন্য প্রস্তাবিত ১০ বছরের সাজাকে তিনি অতিরিক্ত মনে করেন না। তবে আইনটির চূড়ান্ত রূপ যাই হোক না কেন, তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!