শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্র্যাকের গাছের চারা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলায় ৬ হাজার ৪শ ৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেছে ব্র্যাক। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির অর্থায়নে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।
বুধবার বাউসী বাঙালি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরিষাবাড়ি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউসী বাঙালি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের জামালপুর জেলা সমন্বয়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির ডিভিশনাল ম্যানেজার রাজকেশর রায় এবং মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি) কর্মসূচির এলাকা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইউনুছ আলী ভূঁইয়া।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রগতি কর্মসূচির এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ রোকনুজ্জামান, স্বাস্থ্য কর্মসূচির এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ মোস্তাক আহমেদ, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির উপজেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আব্দুল মুত্তালিব ও মোঃ নাজমুল হক, ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাউসী বাঙালি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রবিউল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তারা শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ব্র্যাকের এ কর্মসূচির আওতায় সরিষাবাড়ি উপজেলার ৩১টি ব্র্যাক বিদ্যালয় ও ৪২টি উচ্চ বিদ্যালয়সহ মোট ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬,৪৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৬ হাজার ৪শ ৫০টি উন্নত জাতের ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে বেগবান করতে ব্র্যাক সারাদেশে প্রায় এক কোটি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরিষাবাড়িতে বাস্তবায়িত এ কার্যক্রম সেই বৃহৎ উদ্যোগেরই অংশ, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।




