ব্যানার টানানোর পর ময়মনসিংহে আ.লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর, আগুন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বিক্ষোভের সময় পোড়া কার্যায়লটির ভেতরে টায়ার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং দেয়ালের ইট ভাঙচুর করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে পুড়িয়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ব্যানার ও জাতীয় পতাকা টানিয়েছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৭টার দিকে ১০ সদস্যের একটি দল তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শহীদ মিনারের সামনে ভাঙা-পোড়া কার্যালয়ে ঢুকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেয়। পাশাপাশি ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। পরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন তারা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের তিনতলাবিশিষ্ট কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। গত বৃহস্পতিবার সেই কার্যালয়ে ঢুকে কার্যক্রম চালুর ঘোষণা দেন কয়েকজন। তবে তারা দ্রুত বক্তব্য দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ তৈরি হয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও এনসিপি নেতৃবৃন্দের। রাত ৮টার দিকে কার্যালয়টির ভেতরে গিয়ে বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় পোড়া কার্যায়লটির ভেতরে টায়ার দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং দেয়ালের ইট ভাঙচুর করা হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা তারাকান্দা থানায় গিয়ে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস বলেন, আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে কার্যাক্রম শুরু করেছে দেখে আমরা সেখানে গিয়ে স্টিকারগুলো ছিঁড়ে আগুন দিয়েছি, দেয়াল ভেঙেছি। কার্যালয়টির একটি গেট ছিল সেখানেও তালা দিয়েছি। আমরা থানায় গিয়ে পুলিশকে বলেছি, নিষিদ্ধ সংগঠনের যারা আছে তাদের যেন গ্রেপ্তার করা হয়। তারাকান্দা থানার ওসি তানভীর আহমেদ বলেন, রাতে আগুন দিলেও সেটি নিজে থেকেই নিভে গেছে। টায়ার যতক্ষণ জ্বলেছে ততক্ষণ আগুন ছিল। তার জন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, ফায়ার সার্ভিসও লাগেনি। আওয়ামী লীগ কোনো কার্যক্রম করতে পারবে না, এখানে কোনো ফ্যাসিস্ট দাঁড়াতে পারবে না।




