সারাদেশ
ঝড়–বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড়
খাদেমুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ঝোড়ো বৃষ্টি উপেক্ষা করে জ্বালানি তেল নিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করেছেন মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চালকেরা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার লাবণী ফিলিং স্টেশন ও তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে এমন চিত্র দেখা যায়।
সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও জ্বালানি সংগ্রহে আসা চালকদের ভিড় কমেনি। দুই ফিলিং স্টেশনেই মোটরসাইকেল,দূরপাল্লার গাড়ি, ব্যক্তিগত গাড়ি ও কৃষকদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। কেউ ছাতা মাথায়, কেউ রেইনকোট পরে, আবার কেউ বৃষ্টিতে ভিজেই লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেন।
চালকেরা জানান, আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও প্রয়োজনের কারণে তেল নিতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে আগের তুলনায় অপেক্ষার সময় কিছুটা কমেছে বলে দাবি করেন অনেকে।
লাবণী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। এখন কিছুটা স্বস্তি মিলেছে, তবে চাহিদা বেশি থাকায় বৃষ্টির মধ্যেও লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
একই চিত্র দেখা যায় তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনেও। সেখানে বৃষ্টির মধ্যেই কৃষক ও যানবাহনে চালকেরা ধৈর্য ধরে সারিতে অপেক্ষা করেন।

তেল নিতে আসা জহুরুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জ্বালানি তেল নিতে আসতে হয়েছে। ফুয়েল কার্ড থাকায় ১৫-২০ অপেক্ষা করেই তেল পেয়েছি। এত দ্রুত তেল পাবো কল্পনাও করতে পারিনি।
জাহিদ হাসান বলেন, বৃষ্টির মধ্যে মোটরসাইকেল টেনে আনতে একটু কষ্ট হয়েছে, কিন্তু কিছু তো করার নেই। তেল যেহেতু লাগবে, তাই একটু কষ্ট হলেও নিতে হবে। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, আগের চেয়ে সময় কম লাগছে। আগে যেখানে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা লাগত, এখন এক ঘণ্টার মধ্যেই তেল পেয়ে যাচ্ছি।
এদিকে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি হওয়ায় চালক ও কৃষকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে এবং অনিয়ম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




