জামালপুরের অনন্য শিক্ষাব্রতী অধ্যাপক শহিদুর রহমান খানের স্মরণসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘মানুষের মধ্যে যে আলো জ্বলে ওঠে, মৃত্যুও তাকে নিভাতে পারেনা’ বিশ্বকবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথার মতোই আলোর একজন ধারক ও বাহক বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শহিদুর রহমান খান স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে জামালপুর নাগরিক স্মরণসভা পরিষদের আয়োজনে এবং জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতি ও মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘরের সহযোগিতায় জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিকুল ইসলাম আকন্দের সভাপতিত্বে স্মরণসভা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক শহীদুর রহমান খান সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন তার সহধর্মিনী মেহেরুন্নেসা খান, বড় ভাই রফিকুর রহমান খান বাদশা মাস্টার, সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক হাসান মাসুদ, অধ্যাপক মাসুম আলম খান, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ড. সুধাময় দাস, ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রেজারার ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জামালপুর ডায়বেটিক হাসপাতালের কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি ড. জাহিদ হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী, সরকারি জাহিদা সফির মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক জয়শ্রী ঘোষ, জামালপুরের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি আলী জহির খালেক-উজ-জামান, মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সেলিম, অ্যাডভোকেট শামীম আরা, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ রফিকুল বারী। এ সময় বক্তারা বলেন, অনন্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শহিদুর রহমান খান আমাদের মাঝে শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার চিন্তা, আদর্শ ও শিক্ষা আজীবন বেঁচে থাকবে আমাদের মননে।
এর আগে অধ্যাপক শহিদুর রহমান খানের জীবনী পাঠ করেন নাগরিক স্মরণসভা কমিটির আহ্বায়ক জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম জাদুঘরের ট্রাস্টি পরিচালক উৎপল কান্তি ধর ।
জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে স্মরণসভা শুরু হয় এবং অধ্যাপক শহিদুর রহমান খানের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
অধ্যাপক শহিদুর রহমান খানের স্মরণসভার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাষা সংগ্রামী মতি মিয়া ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক একেএম আশরাফুজ্জামান স্বাধীন।




