গ্যাস সংকটে সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, আমদানিতে বড় উদ্যোগ সরকারের: সংসদে শিল্পমন্ত্রী

বর্তমানে বিশ্বের চলমান বিভিন্ন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট বৈশি^ক সাপ্লাই চেইন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের শিল্প খাতে। বিশেষ করে জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সবগুলো ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে দেশীয় সার উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এ কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, গ্যাস স্বল্পতার কারণে দেশের অধিকাংশ সার কারখানা বন্ধ থাকলেও বর্তমানে কেবল ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে। তবে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ^াস অনুযায়ী আগামী ১ মে থেকে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে এবং কারখানাটি পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির ওপর জোর দিচ্ছে শিল্প মন্ত্রণালয়। জিটুজি চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে ২ লাখ টন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ টন এবং আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতির মাধ্যমে আরও ৪ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, সার কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল যেমন- রক ফসফেট, ফসফরিক এসিড ও সালফার-এর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। টেন্ডারের পাশাপাশি সরাসরি উৎপাদনকারী দেশ মরক্কো, জর্ডান, ওমান, ইউএই, চীন ও মালয়েশিয়া হতে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে এসব কাঁচামাল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে।




