Home লাইফস্টাইল অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে হতে পারে শরীরের ক্ষতি

অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে হতে পারে শরীরের ক্ষতি

by বাংলা টুডে ডেস্ক
১২৮ views

লাইফস্টাইল ডেক্স:

মাংসপেশি মজবুত করতে এবং শরীরের বেড়ে ওঠার জন্য প্রোটিন জরুরি। কিন্তু অতিরিক্ত প্রোটিন শরীরের উপকার করার চেয়ে উল্টো ক্ষতির কারণ হতে পারে। প্রতিদিন একজন সুস্থ ব্যক্তি কতটুকু প্রোটিন খাবে, সেটা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির আদর্শ ওজনের ওপর। যদি একজন ব্যক্তির আদর্শ ওজন ৬০ কেজি হয়, তাহলে তিনি প্রতিদিন ৬০ গ্রামের মতো প্রোটিন গ্রহণ করতে পারবেন।

কিডনি রোগসহ বিশেষ কিছু রোগে এর পরিমাণ আক্ষরিকভাবে কমতে থাকবে। আবার মেয়েদের মাসিক চলাকালে এবং গর্ভাবস্থায় এই প্রোটিনের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে শরীরে যেসব ক্ষতি হতে পারে- কিডনি বিকলের ঝুঁকি বাড়ে। প্রোটিন ভেঙে অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।

অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে নাইট্রোজেন বা বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। যেসব রোগীর কিডনির বিভিন্ন ধরনের জটিলতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দুর্বল কিডনির শরীর থেকে অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য আরো বেশি কাজ করতে হয়, এতে কিডনি বিকলের ঝুঁকি তৈরি হয়।
ডিহাইড্রেশন হতে পারে

আপনার শরীরের অতিরিক্ত নাইট্রোজেন বের করার জন্য বিভিন্ন তরল ও পানির নিষ্কাশন বেড়ে যায়। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তৃষ্ণা অনুভব না করলেও এটি আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে।
ডায়রিয়া হতে পারে

অত্যধিক দুগ্ধজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ায় ফাইবারের অভাব দেখা দিতে পারে, এতে ডায়রিয়া হতে পারে। ল্যাকটোজ সহ্য করতে না পারলে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে

অনেকে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন। এতে শরীরে ফাইবারের ঘাটতির ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হতে পারে।
নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাওয়ার ফলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে। অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে শরীর কিটোসিস নামক একটি বিপাকীয় অবস্থায় চলে যায়, যা রাসায়নিক তৈরি করে নিঃশ্বাসে অপ্রীতিকর গন্ধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিদিন একটানা ১০০ গ্রামের বেশি লাল মাংস খেলে হৃদরোগে মৃত্যুর আশঙ্কা, স্ট্রোকের ঝুঁকি, বৃহদন্ত্র ও প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া অতিরিক্ত লাল মাংস গ্রহণে কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। লাল মাংসে থাকা বিশেষ ইনফ্লামেটরি যৌগ পাকস্থলী, ক্ষুদ্র্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্র ক্যান্সারের জন্যও দায়ী।

এ ছাড়া ফুসফুস নানা রোগে আক্রান্ত হওয়া, কোলন ও স্তন ক্যান্সারে ভূমিকা রাখে। এমনকি অতিরিক্ত লাল মাংস গ্রহণে আর্থ্রাইটিস, গাউট, পেপটিক আলসার, পিত্তথলিতে পাথর, প্যানক্রিয়াস প্রদাহ, কিডনির রোগসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি করে। পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ নাহিদ আহমেদ ফরাজি হসপিটাল, বারিধারা।

আরো পড়ুন

সম্পাদক: শুভ্র মেহেদী

মোবাইল: ০১৯৮৫৮২৭৮৩০
ই-মেইল: jamalpur.banglatoday.2022@gmail.com

মিডিয়া ক্যাম্পাস, পৌরসুপার মার্কেট (২য় তলা), রানীগঞ্জ বাজার, তমালতলা, জামালপুর।

Developed by Media Text Communications