জাতীয়

১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি, মে’তে ৯.৪২%

জ্বালানি তেলের দামের প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। গত মে মাসেও ৯ শতাংশের ঘর ছাড়িয়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে। এপ্রিলে এ হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ নিয়ে টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি দেখল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচক। গতকাল রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য বলছে, খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় একমাসের ব্যবধানে এ সূচক বেড়েছে দশমিক ৩৮ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর আগে এর থেকে বেশি মূল্যস্ফীতি ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে। ওই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপর থেকে কমা-বাড়ার মধ্যে মার্চে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে উঠেছিল মূল্যস্ফীতি। পয়েন্ট টু পয়েন্টে ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ দিয়ে বোঝায়, গত বছর মে মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরে মে মাসে পেতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা। চলতি অর্থবছরের শুরুর দিকে টানা কয়েক মাস বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছিল মূল্যস্ফীতি। তবে পরের মাসে মার্চে তা আবার ৮ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছিল। পরে এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। এর মধ্য দিয়ে ফের টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী থাকার তথ্য দিল সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগ। মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য বলছে, মে মাসে খাদ্যপণ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বড় ব্যবধানে। এর প্রভাব পড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে। মে মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ, যা মে মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!