১২০টির বেশি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ, প্রতিবেদন ২ এপ্রিল: আইনমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যাচাই-বাছাই কমিটি। এরই মধ্যে ১২০টির বেশি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিগত সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে যাচাই-বাছাই কমিটি। ১২০টিরও বেশি অধ্যাদেশের বিষয়ে এরই মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ২ এপ্রিল এই পর্যালোচনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘ পর্যালোচনার পর অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। আমরা প্রায় ১২০টির বেশি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষ করেছি। কোনগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাখা হবে আর কোনগুলো বাতিল হবে, সে বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। সুনির্দিষ্ট তালিকাটি এখনো চূড়ান্তভাবে ‘সর্ট-আউট’ করা হচ্ছে। ২ এপ্রিল রিপোর্টের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ আমাদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দলিল। এর ৩ নম্বর পেজের ৬-এর ‘ক’ ধারা অনুযায়ী, সনদের ৮৪টি আর্টিকেলের মধ্যে ১ থেকে ৪৭ পর্যন্ত অংশ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। যারা একে বাইপাস করে ভিন্ন কোনো আদেশ দিতে চায়, তারা সনদের পরিপন্থী কাজ করছে। আমরা সংবিধান ও জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়েই সব পদক্ষেপ নিচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা জুলাই সনদের বাইরে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেইনি। জুলাই সনদ ও সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। জুলাই সনদ আমাদের কাছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং অত্যন্ত রেসপেক্টেড জায়গা।




