১০ হাজার মে.ও. সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সময়োপযোগী: বিএসআরইএ

দেশে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)। গত বৃহস্পতিবার রাতে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আল মাহমুদের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত সম্প্রসারণে বর্তমান সরকারের উদ্যোগকে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ) আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমবে, বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ হ্রাস পাবে এবং একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিএসআরইএ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নীতিমালা হতে হবে উইন-উইন এবং বিনিয়োগবান্ধব। অতীতে দেখা গেছে, বাস্তবতা বিবেচনা না করে লক্ষ্য নির্ধারণ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের মধ্যে তিন হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সোলার উৎপাদনের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, যেখানে অনেক ক্ষেত্রে নীতিগত চাপ প্রাইভেট সেক্টরের ওপর বর্তায়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিএসআরইএ ইতিবাচকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সোলার, উইন্ডসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। এই মুহূর্তে আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, নীতিমালা চূড়ান্ত করার আগে প্রাইভেট সেক্টরসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বিত আলোচনা করে একটি বাস্তবমুখী, কার্যকর ও টেকসই নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক। এতে বলা হয়, আমরা আশাবাদী, সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সঠিক নীতিগত সহায়তায় বাংলাদেশ খুব দ্রুত একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে।




