ময়মনসিংহে হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ৩ জন গ্রেফতার, আলামত উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ:
ময়মনসিংহে সুমন মিয়া হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ সময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ময়মনসিংহের অষ্টধার কুঠুরাকান্দা এলাকার মোঃ আহাদ আলীর ছেলে মোঃ সজিব আলী (২০) , অষ্টধার ভিটাপাড়া নুর ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম (২৫) একই এলাকার মাহিন মিয়ার ছেলে শিহাব মিয়া ওরফে শিপন(১৬)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো: আমছর আলীর ছেলে সুমন মিয়ার (৩৫) সাথে মাদকের টাকা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সজিব আলীর হাতাহাতি হয়। সুমন মিয়া চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে পারিবারিক কাজে গাজীপুর হতে নিজ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে আসে। ২৬ ফেব্রুয়ারী ওই পূর্বের ঘটনার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে সুমন মিয়াকে মোবাইল ফোনে ডেকে ঘটনাস্থলে আনা হয়। সেখানে গাঁজা সেবনের একপর্যায়ে পুনরায় টাকার বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডা শুরু হলে সজিব আলী, নাজমুল ইসলাম, শিহাব মিয়া ওরফে শিপন সংঘবদ্ধভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে সুমন মিয়ার কপাল, থুতনী, গলা, ঘাড়, বুক, তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। পরে তার মৃতদেহ অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশে ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায়।
এ ঘটনায় ২৮ ফেব্রুয়ারী নিহতের মামা মোঃ মাহিন হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ক্ললেস হত্যা মামলা দায়ের হওয়ার পর ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিবের নেতৃত্বে প্রধান আসামি সজিব আলীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সাথে হত্যা মামলায় ব্যবহৃত ছুরি ও মোবাইল ফোন আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফকৃতদের মধ্যে আসামী মোঃ সজিব আলী ও নাজমুল ইসলাম আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
অপ্রাপ্ত বয়স হওয়ায় শিহাব মিয়া ওরফে শিপনকে আদালতের আদেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে প্রেরণ করে।




