আন্তর্জাতিক

ইরান চুক্তি ওয়াশিংটনের জন্য বিশাল জয়: সিনেটর রজার মার্শাল

ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রশংসা করেছেন মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল ইরান। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্শাল এটিকে একটি ‘বিজয়ী চুক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে সম্পাদিত চুক্তির চেয়েও ভালো, যে চুক্তি থেকে ট্রাম্প ২০১৮ সালে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। মার্শাল বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব দ্বারা সমর্থিত হবে এবং এই চুক্তির প্রতি আরব দেশগুলোর সমর্থন একটি কূটনৈতিক বিজয়। ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি এবং ইসরায়েলে এই চুক্তি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই কানসাসের এই আইনপ্রণেতা এই চুক্তিকে ওয়াশিংটনের জন্য বিশাল জয় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে স্বাক্ষর সম্পন্ন হলেও ইরানের সঙ্গে হওয়া চুক্তির বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। এতে অনেকে সন্দেহ কারণে সমালোচনা বাড়তে থাকে যে, ওয়াশিংটন চুক্তির প্রকৃত শর্ত গোপন করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন সংস্করণের খসড়া ফাঁস হতে শুরু করলে হোয়াইট হাউজ সাংবাদিকদের সঙ্গে ফোন ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। সেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা পুরো সমঝোতা স্মারক পড়ে শোনান। ব্রিফিংয়ে নিশ্চিত করা হয়, সমঝোতা স্মারকে ইরানকে তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে বাধ্য করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ওই মজুত থেকে তাত্ত্বিকভাবে ১১টি পারমাণবিক বোমা তৈরি করা সম্ভব। স্মারকে বলা হয়েছে, এই ইস্যু সমাধানে আগামী দুই মাসে একটি আলাদা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। অন্তত ন্যূনতম পর্যায়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই ইউরেনিয়ামকে নিম্নমাত্রায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!