আরব আমিরাতকে সতর্ক করে যা বললো আইআরজিসি

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সতর্ক করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকাল শনিবার সতর্ক করে দিয়ে আইআরজিসি বলেছে, খার্গ দ্বীপে হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপনীয় সব মার্কিন আস্তানা এখন আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের। ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর আইআরজিসির বিবৃতির বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির কার্যক্রমে সমন্বয়কারী সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের বন্দর, ডক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক এলাকার কাছ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন শত্রু আমিরাতের যেখান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে সেখানে হামলা চালানো হবে। বিষয়টি আমরা আমিরাতের নেতাদের জানিয়ে দিচ্ছি। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার্থে এটিকে তার বৈধ অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। এদিকে, হামলা চালানো হলেও তা খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রফতানির কার্যক্রমে কোনও প্রভাব ফেলেনি বলে জানিয়েছে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। ইরানের মোট তেল রফতানির ৯০ শতাংশই হয় এ দ্বীপ থেকে। অন্যদিকে, লেবানন ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি করাতে কাজ করতে রাজি ফ্রান্স। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে ম্যাখোঁ লেখেন, “লেবাননের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের সঙ্গে শুক্রবার কথা হয়েছে। তারা ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে।”ম্যাখোঁ ইসরায়েলকে বড় পরিসরের আক্রমণ ও চলমান হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং হিজবুল্লাহকে উত্তেজনা বৃদ্ধি বন্ধ করতে বলেন। তিনি লেখেন, “ইসরায়েলের উচিত এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আলোচনার সূচনা করা, যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা এবং লেবাননের সার্বভৌমত্বের সমর্থনে কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে দেওয়া।”আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গতকাল শনিবার বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার জন্য এখনও কোনও গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে আসছে তেহরান। এ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাহরাইন ১২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০৩টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা ফোর্স বলছে, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইরান থেকে ছোঁড়া।




