নিয়মিত রক্তদানে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে

রক্তের কোনো বিকল্প নেই। নানা কারণে রোগীর শরীরে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সাধারণত থ্যালাসেমিয়া রোগী, রক্তস্বল্পতা, প্রসূতির রক্তক্ষরণ, অগ্নিদগ্ধ রোগী, বড় অপারেশন, দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীর রক্তের প্রয়োজন পড়ে। আমাদের দেশে বছরে রক্তের চাহিদা আনুমানিক ৮-১০ লাখ ব্যাগ। দেশের জনসংখ্যার তুলনায় এ চাহিদা একেবারেই নগণ্য। তবে এখনো স্বেচ্ছা রক্তদানে ঘাটতি রয়েছে। ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেই স্বেচ্ছা রক্তদাতা বৃদ্ধি করে এ চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিস্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি যে কোনো ব্যক্তি প্রতি চার মাস পরপর রক্ত দিতে পারেন। নিয়মিত রক্তদানে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্বিগুণেরও বেশি কমে যায়। তার পরেও রক্তদানে অনাগ্রহী বেশির ভাগ মানুষ। তবে আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো-আমাদের দেশে পেশাদার রক্ত বিক্রেতাদের ওপর নির্ভরতা দিনদিন কমছে। রোগীর স্বজনদের রক্তদানের পরিমাণ বেড়েছে। তবে প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা আমরা এখনো মেটাতে পারছি না। অথচ রক্তদানের জন্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট। ধর্মীয়ভাবেও রক্ত দান অত্যন্ত পুণ্যের কাজ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে রক্তদানের ব্যাপারে জনসচেতনতা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। একটি জনগোষ্ঠীর অল্প কিছু অংশ মানুষ যদি নিয়মিত রক্তদান করেন তাহলেই রক্তের অভাবে কোনো মানুষের মৃত্যু হবে না। আমাদের ছোট্ট একটু ত্যাগ স্বীকার হাসি ফোটাতে পারে লাখো মানুষের জীবনে।রক্তদানের নানা উপকার: রক্তদানে নানা উপকার পেতে পারেন দাতা। রক্ত দিলে শারীরিকভাবে মেরুমজ্জার রেজুভিনেশান বা স্টিমুলেশান, হৃদরোগ/স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি হ্রাস, ক্ষতিকর কোলেস্টরেল হ্রাস, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীরগতি হওয়া ইত্যাদি উপকার পেতে পারেন একজন রক্তদাতা।
রক্তদানের নানা উপকার: রক্তদানে নানা উপকার পেতে পারেন দাতা। রক্ত দিলে শারীরিকভাবে মেরুমজ্জার রেজুভিনেশান বা স্টিমুলেশান, হৃদরোগ/স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি হ্রাস, ক্ষতিকর কোলেস্টরেল হ্রাস, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীরগতি হওয়া ইত্যাদি উপকার পেতে পারেন একজন রক্তদাতা।




