জামালপুরে দুটি পৃথক রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুরে পৃথক দুই রায়ে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদ- ও এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত। বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল ১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এসব রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে গত ২০০৮ সালের ২৬ মে রাতে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আসামী আলাল সেক পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতে রায় দেয়া হয়। রায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। অপরদিকে গত ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে দশম শ্রেণী পড়ুয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজীব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ৬ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী রাজীব হোসেনের উস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও ৫ লাখ টাকা অর্থদ- প্রদান কর হয়।




