আন্তর্জাতিক

সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতা পর্যবেক্ষণে কিম জং উন

ডেস্ট্রয়ার কাং কন থেকে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ উত্তর কোরিয়া নৌবাহিনী। একই সঙ্গে জাহাজটির বিভিন্ন যুদ্ধ সক্ষমতার মূল্যায়ন পর্যবেক্ষণ করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। গতকাল রোববার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানায়, গত শুক্রবার নবনির্মিত যুদ্ধজাহাজটির যুদ্ধ ব্যবস্থা মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এই পরীক্ষাগুলো করা হয়। মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিনের তথ্য মতে, পরীক্ষায় লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা, নৌ কামান, স্বয়ংক্রিয় কামান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা, জাহাজবিধ্বংসী, সাবমেরিনবিধ্বংসী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিম জং উন প্রথমে জাহাজটির অস্ত্র মূল্যায়ন কর্মসূচি সম্পর্কে ব্রিফিং শুনেছেন। এরপর তিনি কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণসহ বিভিন্ন অস্ত্র পরীক্ষার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সাম্প্রতিক অস্ত্র উন্নয়নের অগ্রগতির প্রশংসা করে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরোধক্ষমতা ও যুদ্ধ সক্ষমতা আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেন কিম জং উন। তিনি কর্মকর্তাদের আগামী দুই মাসের মধ্যে কাং কন ডেস্ট্রয়ারের সব পরীক্ষা শেষ করে সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশও দেন। এছাড়া, গত মাসের শেষ দিকে ৫ হাজার টন ওজনের চোয়ে হিয়ন ডেস্ট্রয়ারকে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করে উত্তর কোরিয়া। একই শ্রেণির কাং কন জাহাজকেও দেশটির নৌবাহিনী আধুনিকায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোতায়েনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। কিম জং উন আগামী পাঁচ বছরে প্রতিবছর এ শ্রেণির দুটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনার পাশাপাশি ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার আরও বড় যুদ্ধজাহাজ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, কাং কন ডেস্ট্রয়ারটি গত বছর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় আংশিকভাবে উল্টে যাওয়ার পর মেরামত করা হয়। সম্প্রতি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। এর কারণ কিম জং উনের মতে, এটি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে দুর্বল শাখা।

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Back to top button
error: Content is protected !!