চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের না ধরলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেন (ঢামেক) নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে গতকাল শনিবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশসহ দেশের সব মহানগর এলাকায় চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে মধ্যরাতে উচ্চ স্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা। পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সেটা নিয়েছি। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজরা রাতারাতি কোটিপতি হতে চায়। চাঁদাবাজরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি আসামি এবং গডফাদারদের নাম ব্যবহার করে। আমরা শুধু চাঁদাবাজদের তালিকা করছি না, চাঁদাবাজদের সঙ্গে যদি পুলিশ সদস্য জড়িত থাকে তাদের তালিকাও করছি। তিনি আরও বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দুর্বৃত্তদের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের মতো হাইভ্যালু মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সর্বশেষে আঘাত করে চাঁদাবাজির একটা উদ্দেশ্য ছিল। ২০ তারিখের মধ্যে চক্রের সাতজনের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি পুলিশের প্রশংসা করি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতাকে ধরতে পেরেছে, কিন্তু পুলিশের আরও কাজ বাকি আছে। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ যারা আছে সবগুলোকে নির্মূল করতে চাই।




