rockland bd

মুমূর্ষ খাদিজাকে দেখতে গিয়ে আইসিইউতে আ. লীগ নেত্রীদের সেলফি

0

বাংলাটুডে২৪ ডেস্ক :
সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার নৃশংস হামলার শিকার খাদিজাকে দেখতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে গিয়ে সেলফি তুললেন আওয়ামী লীগ নেত্রীরা। পেছনে নাকে-মুখে নল লাগানো অচেতন খাদিজা বেগমকে রেখে তারা ছবি তোলেন। খাদিজাকে দেখতে গিয়ে তোলা ছবি (সেলফি) বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন সাংসদ সাবিনা আক্তার তুহিন। সঙ্গে যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অপু উকিলসহ আরেকজন নারী।
আইসিইউ-র মতো স্পর্শকাতর জায়গায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এক নারীর পাশে সরকার দলীয় নারী নেত্রীদের এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
খাদিজার ওপর নৃশংসতায় ক্ষুব্ধ মানুষ তাঁদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, ভর্ৎসনা করেছেন।
তবে রাত সোয়া ১২টার দিকে সাবিনা আক্তার তুহিন এ ব্যাপারে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘কালকে খাদিজা নামের মেয়েটা মারা গেছে বলে যে তথ্য বের হয়েছে, আমরা দেখাতে চেয়েছি মেয়েটা বেঁচে আছে এ জন্যই ছবিটা তোলা। স্ট্যাটাসে বদরুলের ফাঁসি চেয়ে স্ট্যাটাসটা দেওয়া হয়েছে। নারী হিসেবে মেয়েটির পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে তাঁর পাশে আছি, এটা বোঝানোর জন্য তাঁর ব্যাপারে স্ট্যাটাস দেওয়া। ভাল মন-মানসিকতা নিয়ে তাঁর পাশে একজন নারী হিসেবে পশুর বিচার চেয়ে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের নামধারী যে এখন ছাত্রলীগ করে না আমরা তাঁর পক্ষে না, আমরা নির্যাতিতের পক্ষে। এ ছবির অর্থ কেউ ভিন্নভাবে নিতে পারে।…আমরা সকল নির্যাতিত নারীর পক্ষে।’অপর এক স্ট্যাটাসে সাবিনা আক্তার তুহিন লেখেন, ‘আমাদেরকে নিয়ে যত লিখেন আমরা কখনও অন্যায়কারীর পক্ষে না, আমরা ন্যায়ের পক্ষে। আমরা বদরুলদের ঘৃণা করি, কারণ মেয়েটি যখন পরে ছিল তখন আমার ছাত্রলীগের ভাই ইমরান তাঁকে হাসপাতালে নিয়েছে, রক্ত দিয়েছে।…’
এই স্ট্যাটাসের নিচে মন্তব্যকারীদের একটি অংশ এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করায় প্রথম আলোর নিন্দা করেছেন। আশিক মোস্তফা নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কারও ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে বিনা অনুমতিতে ছবি নিয়ে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সংবাদ প্রকাশ করেছে প্রথম আলো, যা বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তি আইনবিরোধী। নেত্রী আপনি অনুমতি দিলে আমি ICT Act আইন অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চাই।’

Comments are closed.