rockland bd

বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল থানা ও গুদাম: গাজীপুরে কারখানায় আগুন

0

বাংলাটুডে২৪ ডেস্ক :
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলে ২৩ নম্বর পণ্য গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আগুন পোর্ট থানা ভবনসহ বন্দরের অন্যান্য পণ্য গুদামেও ছড়িয়ে পড়েছে।
আজ রোববার ভোর ৬টা ৫ মিনিটের দিকে বন্দরের ২৩ নম্বর শেডের ১,২৫০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পণ্য গুদাম থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই শেডের পাশে খোলা আকাশের নিচে রাখা বিভিন্ন মেশিনারি, টায়ার, কেমিকেল এবং অন্যান্য আমদানি পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তা বন্দরের পাশের পণ্য গুদাম ও পণ্যাগারের পাশে পোর্ট থানাভবনেও ছড়িয়ে পড়ে। এসময় রাস্তায় মালামাল লোডিংয়ের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাংলাদেশি ট্রাক ও একটি ভারতীয় ট্রাকে আগুন ধরে যায়। এছাড়া, বন্দর থানার সামনে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করে রাখা প্রাইভেট কারও পুড়ে গেছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র সেন জানান, আগুন লাগার পরপরই বন্দর ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট কাজ শুরু করে। এরপর খবর পেয়ে পৌনে ৮টার দিকে যশোর থেকে ছুটে এসে আগুন নেভাতে লেগে পড়ে আরও ৬টি ইউনিট। পরে পেট্রাপোল থেকে এসে যোগ দেয় আরও একটি ইউনিট। ওই ইউনিটে ৮ জন কর্মী রয়েছেন। এই মুহূর্তে আগুন প্রায় ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণে। এখন আর ছড়ানোর কোনো আশঙ্কা নেই।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বন্দর ফায়ার সার্ভিসের লোকবল ও সরঞ্জাম সংকটের কারণে আগুন তৎক্ষণাৎ নেভানো যায়নি, যে কারণে পণ্য গুদাম ছাড়িয়ে আগুন ধরেছে পোর্ট থানাভবন এবং রাস্তায়ও। পরে যদিও প্রায় পৌনে ২ ঘণ্টার মাথায় যশোর থেকে ৬টি ইউনিট আগুন নেভাতে ছুটে এসেছে। কিন্তু ততক্ষণে প্রায় সবকিছু পড়ে গেছে।
বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন জানান, ভারত ও বাংলাদেশের চারটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে একশ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে যমুনা স্পিনিং মিল ও সংলগ্ন অপর একটি কারখানায় আগুন লেগেছে।
রোববার ভোর সোয়া ৫টার দিকে যমুনা স্পিনিং কারখানার রিসাইক্লিনিং সেকশন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর, জয়দেবপুর, শ্রীপুর, সাভার, ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় আরও চারটি ইউনিট।

Comments are closed.