rockland bd

বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় কোভিড!‌ মিলল জোরালো প্রমাণ

0

বিদেশ ডেস্ক, বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর: সারা দুনিয়ায় রোজ লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যু মিছিল চলেছে। এর মধ্যে বারবার প্রশ্ন উঠছে, করোনা কি বাতাসে ছড়ায়?‌ একদল গবেষক মনে করেন এটাই ঠিক। অন্য দল মনে করেন না। তবে এবার এই বিষয়ে আরও জোরালো প্রমাণ পেশ করা হল মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেট–এ। সেখানে বলা হল,সারস-কোভ-২ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়ায়। এই ভাইরাসের কারণেই হয় কোভিড–১৯।
ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডার ৬ জন বিশেষজ্ঞ হাতেকলমে এর প্রমাণ পেয়েছেন। কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট হোস লুইস জিমেনেজ জানালেন, বড় ড্রপলেটের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের নিদর্শন এখন নেই বললেই চলে। অর্থাৎ হাঁচলে বা কাশলে যে থুতু ছিটকে আসে, তা থেকে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। তাঁর মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন এই গবেষণাকে মান্যতা দিয়ে সেই মতো পদক্ষেপ করা উচিত।
নতুন এই তথ্য ঘোষণার পরেই বিশেষজ্ঞ দলটি আরও একটি বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, ঘন ঘন হাত ধুয়ে, মাস্ক পরে দুনিয়াকে আর কতদিন করোনা থেকে রক্ষা করা যাবে, সেই নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ডের গবেষক ত্রিশ গ্রীনহালের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের গবেষক দল ইতিমধ্যেই এয়ারবরন কোভিড ছড়ানোর বিষয়টি নজরে এনে ১০ পাতার রিসার্চ পেপার জমা দিয়েছেন।
গবেষণা পত্রে স্কাজিট চয়েরের ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। সেখানে এক জন ‘‌সুপার স্প্রেডার’‌–এর থেকে ৫৩ জন আক্রান্ত হন। আক্রান্তরা সকলে ওই সুপার স্প্রেডারের সংস্পর্শে গেছেন প্রমাণ নেই। তাহলে কীভাবে হল সংক্রমণ?‌ প্রশ্ন রয়েই গিয়েছে।
আরও একটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন গবেষকরা। তাঁদের মতে, বদ্ধ ঘরে করোনা সংক্রমণ অনেক বেশি হয়। খোলা জায়গায় সেই সম্ভাবলা অনেক কম। অ্যাসিম্পটোমেটিক বা প্রিসিম্পটোমেটিক করোনা আক্রান্তদের হাঁচি কিংবা কাশি নেই। অথচ ৪০ শতাংশ ট্রান্সমিশন তাঁদের থেকেই হচ্ছে। এখন বিশ্বে বেশিরভাগ সংক্রমণ হচ্ছে এই সাইলেন্ট ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে। খবর কলকাতার আজকাল পত্রিকার।
আস / বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর

Comments are closed.