rockland bd

গোমস্তাপুরে বেতনের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ৪ শতাধিক কেজি স্কুলের শিক্ষক

0


গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি, বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেন (কেজি) স্কুলগুলো বর্তমানে করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে স্কুলসমূহ ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে কোন বেতন আদায় করতে পারছেনা । কেজি স্কুলগুলো ছাত্র-ছাত্রীদের বেতনের উপর নির্ভর করে নিজেদের বেতন ভাতাসহ অন্যান্য কাজকর্ম করে থাকে। বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে শিক্ষক-কর্মচারীগণ বেতন থেকে বঞ্চিত। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছেনা। ইতিমধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারী পেটের তাগিদে অন্য পেশায় জড়িয়ে পরেছেন। অত্র উপজেলায় ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রী প্লে শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত। সাধারণত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে কেজি স্কুল সমূহের ছাত্র-ছাত্রীরা ভাল ফলাফল করে থাকে। বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রহনপুর গাজি শিশু শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন রনি জানান, বর্তমান অবস্থায় সরকারের নিকট থেকে আর্থিক প্রণোদনা পেলে শিক্ষক-কর্মচারীগণ তাদের পরিবার পরিজনের পাশে দাড়াতে পারতো। রহনপুর তোজাম্মেল হোসেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমেদ বাচ্চু সরকারের শুভদৃষ্টি কামনা করেন। বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন গোমস্তাপুর উপজেলার সভাপতি ও আলিনগর নুরজাহান প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব সাদিকুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ ও ছাত্র-ছাত্রীদের বেতন আদায় না হওয়ার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন যাত্রার মান একেবারে তলানিতে নেমে গেছে। এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ও ঘোলাদিঘী ব্রাইট স্টার কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, গত জুন মাসে জেলা প্রসাশক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। তাছাড়া জুলাই মাসে সারাদেশে মানববন্ধন করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা চেয়ে একই কথা বলেন, রহনপুর আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ জামিলুর রহমান মারুফ, জ্ঞাণচক্র একাডেমির প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাাহ আল মামুন, রহনপুর পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ উমর ফারুক, গ্রিনভিউ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, হলিচাইল্ড স্কুলের পরিচালক মিজানুর রহমান ও নুর একাডেমির পরিচালক আব্দুর নুর।

ইয়াহিয়া খান রুবেল/এবিএস

Comments are closed.