rockland bd

পটুয়াখালীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

0

পটুয়াখালী, বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদীতে স্পিডবোটডুবির ঘটনায় নিখোঁজের ৪০ ঘণ্টা পর পাঁচ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ (শনিবার) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে আগুনমুখা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পার্সটুডের
মৃতরা হলেন- রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ কনস্টেবল মহিবুল্লাহ (৪৫), কৃষি ব্যাংক বাহেরচর শাখার পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫), বেসরকারি এনজিও আশার খালগোড়া শাখার ঋণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির (৩০), গলাচিপার আমখোলার বাসিন্দা হাসান (৩৫) ও বাউফলের কনকদিয়ার বাসিন্দা ইমরান (৩৪)।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার রাতভর উদ্ধারকারী দল আগুনমুখা নদীতে অভিযান চালায়। আজ সকালে আগুনমুখা নদীর যে স্থানে স্পিডবোট ডুবে যায়, তার আশপাশ এলাকা থেকে নিখোঁজ দুজনের লাশ এবং উত্তরে গলাচিপা অংশে নদীতে ভাসমান অবস্থায় অপর তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজ পাঁচজনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, লাশগুলো শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্পিডবোট চালানোর কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দোষীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আহম্মেদ জানান, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া স্পিডবোট চালানোর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
গতকাল বিকেল সাড়ে চারটায় রাঙ্গাবালীর কোড়ালিয়া থেকে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে পানপট্টির উদ্দেশে রওনা হওয়া রুমেন-১ নামে স্পিডবোটটি বৈরী আবহাওয়ার কারণে আগুনমুখা নদীর মাঝামাঝি গিয়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে তলা ফেটে ডুবে যায়। এ সময় চালকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন। সেই পাঁচজনের আজ লাশ উদ্ধার করা হলো।

এবিএস

Comments are closed.