rockland bd

ছয় দফা সম্পূর্ণ বঙ্গবন্ধুর চিন্তার ফসল: প্রধানমন্ত্রী

0

 ঢাকা, বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর: ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছয় দফা প্রণয়নটা অনেকে অনেকভাবে বলতে চায়- এর পরামর্শ ওর পরামর্শ। কিন্তু আমি নিজে জানি, এটা সম্পূর্ণ তার (বঙ্গবন্ধুর) নিজের চিন্তার ফসল।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আটান্ন সালে যখন তিনি (বঙ্গবন্ধু) গ্রেফতার হন সেই সময় থেকেই তিনি প্রস্তুতি নিলেন কীভাবে এই ভূখণ্ডের মানুষকে স্বাধিকার এনে দেবেন। বাষট্টি সালে তার একটা উদ্যোগ ছিল পুরো বাংলাদেশ প্রত্যেকটা এলাকায় নিউক্লিয়াস ফার্ম করে এদেশের মানুষকে সচেতন করা। এরই একটা পর্যায়ে তিনি আবার গ্রেফতার হলেন। ১৯৬৫ সালে যখন ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হলো তখন আমরা একেবারেই অরক্ষিত ছিলাম। তখনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সিদ্ধান্ত নিলেন এবং তিনি এই ছয় দফা প্রণয়ন করেন।’
হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সবসময় নিজে বসে বসে চিন্তা করতেন, নিজেই লিখতেন এবং তার সেসময়কার ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ হানিফকে দিয়ে এটা টাইপ করাতেন। এখানে শুধু হানিফ জানত, সেই টাইপ করেছিল। এছাড়া কিন্তু আর কারো জানার ছিল না। কাজেই এটা (ছয় দফা) সম্পূর্ণ তার নিজের চিন্তা থেকে করা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যখন লাহোরে যান, লাহোরে গিয়ে এটা পেশ করার চেষ্টা করেন, সেখানে প্রচণ্ড বাধা আসে। বাধা পাওয়ার পর তিনি ওখানেই একটা সংবাদ সম্মেলন করে তাদের কাছে এটা তুলে ধরেন।“
বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার বিভিন্ন উদ্যোগের একটি পর্যায় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যে আজকে স্বাধীন দেশ, স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি, আমাদের আত্মপরিচয় সুযোগ হয়েছে, আত্মমর্যাদার সুযোগ হয়েছে, এ সুযোগটা যিনি এনে দিয়েছিলেন এবং কীভাবে তিনি দিয়েছিলেন তারই একটি পর্যায় হচ্ছে এই ছয় দফা।’
আজকের আনুষ্ঠানে করোনাভাইরাসের কারণে সশরীরে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য এটুকু যে যেখানে নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কারটা হাতে তুলে দেয়া যেত… আরও খুশি হতে পারতাম। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে আজকে করোনাভাইরাস নামে এমন একটা ভাইরাস শুধু বাংলাদেশ না, সারাবিশ্বে দেখা গেছে। আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অনেকটা অস্বাভাবিক হয়ে গেছে। করোনাভাইরাসের কারণে কারও জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হোক সেটা আমরা চাইনি।’ খবর পারস টুডের।
আস / বাংলাটুডে টুয়েন্টিফোর।

Comments are closed.