rockland bd

গোমনাতীতে নিয়োগ বাণিজ্য

0

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ডোমার গোমনাতী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে। অপরদিকে গত রবিবার নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র না পাওয়া প্রার্থীরা পরীক্ষা বন্ধের দাবিতে ডিজির প্রতিনিধি বরাবরে অভিযোগ করেছে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানাগেছে. গোমনাতী উচ্চ বিদ্যালয়ে নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগের জন্য গত ১৪ই ডিসেম্বর বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দরখাস্ত আহবান করে। উক্ত পদে মোট ২৪জন প্রার্থী দরখাস্ত করে। সে মতে গত ২৯ শে জুলাই নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কোন কারণ ছাড়াই উক্ত তারিখের পরীক্ষা ও প্রবেশ পত্র বাতিল করে নতুন প্রবেশ পত্র দিয়ে ১৯শে আগষ্ট রবিবার পূনঃরায় পরীক্ষা গ্রহনের তারিখ ঘোষনা করে। এতে অংশগ্রহনে ইচ্ছুক অনেক পরীক্ষার্থীকে ইচ্ছাকৃত প্রবেশ পত্র না দিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের পায়তারা করে। এসময় ডোমার সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রবেশ পত্র না পাওয়া প্রার্থীরা ডিজির প্রতিনিধি বরাবরে পরীক্ষা স্থগিত করার জন্য লিখিত অভিযোগ করে। এবিষয়ে নিয়োগ পত্র বঞ্চিত প্রার্থী আলি মূর্তুজা (কাফি) বাংলাটুডে প্রতিনিধিকে জানান, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ১২ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে তার পছন্দের লোককে নিয়োগ দিতে নানা ছলচাতুরির আয়োজন করেছে। একারণেই আমাদের পূর্বের প্রবেশ পত্র থাকা সত্বেও এবারে আমাদের নামে কোন প্রবেশ পত্র দেয়া হয় নাই। আমরা এধরনের প্রহসন মূলক পরীক্ষা বন্ধের জোর দাবি করছি। প্রবেশ পত্র বঞ্চিত অপর প্রার্থী রাজিউল ইসলাম রাজু সরকার জানান, প্রধান শিক্ষক এজাবুল হোসেন শাহ ও সভাপতি আহম্মেদ ফয়সাল শুভ যোগসাজস করে ১৪লক্ষ টাকা নিয়ে মৃত পদ্ম কিশোর রায়ের ছেলে ভরৎ চন্দ্র রায়কে নিয়োগ দেয়ার পায়তারা করছে। তারা আমার কাছেও মোটা টাকা দাবী করেছে। আমি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় আমার নামের এবারের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্রটিও দেয়নি।
প্রধান শিক্ষক এজাবুল হোসেন শাহ উৎকোচ নিয়ে নিয়োগ দানের কথা অস্বীকার করে বলেন, কিছু লোক মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাকেরিনা বেগম জানান, যারা প্রবেশ পত্র না পাওয়ার অভিযোগ করেছে, তাদের পরিবার প্রবেশপত্র নিয়েছে, রিসিভ পত্রে তা দেখা যাচ্ছে, অভিযোগ কারীর মধ্যে থেকেও পরীক্ষা দিচ্ছে । যাচাই করার জন্য কিছুক্ষন পরীক্ষা বন্ধ করে রেখেছিলাম, এখন (বিকাল সাড়ে চারটা) লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, যৌতিক কারন ছাড়া পরীক্ষা আমি বন্ধ করতে পারি না ।
বাংলাটুডে/আর বি

Comments are closed.