rockland bd

বোদায় দাওয়াত খেয়ে নারী-শিশুসহ শতাধিক অসুস্থ্য

0

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ের বোদায় বৌ-ভাতের দাওয়াত খেয়ে নারী ও শিশুসহ অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি অসুস্থ্য হয়েছেন। এদের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বাড়ির মালিকসহ ৫৩ জন এবং প গড় আধুনিক সদর হাসাপাতালে আরও ৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও বোদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প গড় হাসাপাতালের বর্হিবিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন আরও প্রায় ৩০ জন। অসুস্থ্যরা সাবাই অতিরিক্ত বমি, পাতলা পায়খানা ও তীব্র জ¦রে আক্তান্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের ধনীপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে বৌ-ভাতের দাওয়াত খাওয়ার পর সবাই বাড়ি ফিরে যান। গভীর রাত থেকে তারা অসুস্থ্যতা বোধ করতে থাকেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে অসুস্থ্যতার মাত্রা বাড়তে থাকলে প্রথমে নারী ও শিশুসহ আটজনকে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে বিকেল থেকে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প গড় আধুনিক সদর হাসপাতালে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা। অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলেও গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮ টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত প গড় সদর ও বোদা হাসপাতালে ৫৭ জনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার সন্ধায় প গড়ের জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী ও সিভিল সার্জন ডা. নিজাম উদ্দীন হাসপাতালে গিয়ে রোগিদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিয়েছেন।
বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. জাহিদ হাসান বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত যে রোগিগুলো আমরা পেয়েছি তাদের লক্ষণ দেখে মনে হয়েছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এমনটা হয়েছে। রোগীদের সবার বমি, পাতলা পায়খানা এবং জ¦র আছে। সন্ধ্যার পরও অনেক রোগি আসছিল। তাদের একে একে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে ৪৮ ঘন্টা পর রোগীদের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরতে পারে বলে তিনি জানান।
প গড়ের সিভিল সার্জন ডা. নিজাম উদ্দীন বলেন, সন্ধা ৭টা পর্যন্ত বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ২০ জনের মত প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এছাড়া প গড় সদর হাসপাতালে চার জন ভর্তি রয়েছেন।
জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের সরকারি খরচে চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনকে বলা হয়েছে।
সামসউদ্দীন চৌধুরী কালাম/বাংলাটুডে

Comments are closed.