rockland bd

১১ সিটিতে পশু জবাইয়ে দুই হাজার ৯৩৬টি স্থান নির্ধারণ

0

ইউএনবি, ঢাকা


পরিবেশ ও সাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, আমরা নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানীর পশু জবাইয়ের বিষয়টি একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চেষ্টা করছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে।
দেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনে মোট দুই হাজার ৯৩৬টি নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পশু কোরবানীর জন্য এ সংখ্যা যথেষ্ট। তারপরেও অনেকে যদি সেই জায়গায় না আসে সেক্ষেত্রে আমি মেয়রদের অনুরোধ করবো আপনারা যথেষ্টভাবে প্রচার প্রচারণা করুন।
যাতে করে মানুষ নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করতে আসে। নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করতে আসতেই হবে। আর কোন রকম খোলা স্থানে কুরবানী করাকে আমরা মোটেই উৎসাহিত করি না।
বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ সারাদেশে নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবেহ ও দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিয়ে এক সভায় এসব কথা বলেন এলজিআরডি মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘উন্মুক্ত স্থানে পশু কোরবানী না করার বিষয়ে যেহেতু কোন আইন নাই যে, খোলা স্থানে কুরবানী করলে কোন শাস্তির নিয়ম আছে। আর ধর্মীয় বিষয়ে এসব জোরজবরদস্তি করতে গেলে মানুষের মাঝে প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
কাজেই আমাদের উচিত পাড়ায় পাড়ায় সিটি কর্পোরেশনের যথেষ্ট লোক নিয়োগ করা যাতে করে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানী নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
কাউন্সিলরদের মাধ্যমে যাতে করে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের আহ্বান জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আস্তে আস্তে এ উদ্যোগের সাথে মানুষকে অভ্যস্ত করা যায় তাহলে পরে আমাদের আর সমস্যা হবে না। নাগরিক অস্বস্থি যাতে সৃষ্টি না হয় এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাড়ীতে যদি কেউ কুরবানী কনে তাহলে তাদের তো আর জোড় করার বিষয় নেই। তবে সেখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে কোনকরম পরিচ্ছন্নতার অভাবোধ যেন এলাকাবাসি না করে। নিজেরা কুরবানী করে যদি নিজেরা পরিষ্কার করে ফেলেন তাহলে আমাদের কোন সমস্যা নেই।
তিনি বলেন, আমরা চাই এটা নিয়ে কোন কথা না হোক।
কেউ যেন না বলতে পারে সিটি কর্পোরেশন কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে তারা তাদের যথার্থ প্রস্তুতি নেয় নাই। কিংবা ঠিকভাবে কোরবানী করার জন্য জনগণকে সেই সুযোগ সুবিধা করে দেয় নাই।
আমি এ বিষয় তো বলার কোন অপেক্ষা রাখে না যে, বর্জ্যগুলো সাথে সাথে পরিস্কার করা। আর পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের সুবিধার্তে যদি কোন নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করা হয় তাহলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক সুষ্ঠভাবে করা যায়।
কোরবানী যেহেতু ধর্মীয় একটি বিষয় অনেকে নির্দিষ্টস্থান দূরে হলে যেতে চাইবে না। নিজেদের ঘরের মধ্যে বা কমপার্টমেন্টের মধ্যে যদি তারা সাথে সাথে পরিস্কার করে ফেলতে পারেন তাহলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কোন প্রশ্ন আসে না। আজ আমরা এ বিষয়গুলো আলোচনা করছি।

বাংলাটুডে২৪/আর এইচ

Comments are closed.