rockland bd

কাতারে গরম তাই মধ্যরাতে ম্যারাথন, তাও মাঝপথেই থামলেন ২৮ দৌড়বিদ

0

তুরস্কের ম্যারাথর রানার ফাদিম সেলিককে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।


খেলা ডেস্ক, কাতার ২৮ সেপ্টেম্বর (বিবিসি/বাংলাটুডে) : দোহায় গভীর রাতে ম্যারাথন হলেও গরমে কাতর হয়ে পড়েন দৌড়বিদরা। ২৮ জন দৌড়বিদ মাঝপথেই ক্ষান্ত দেন।
প্রচণ্ড গরমের কারণে কাতারের দোহায় চলতি বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে নারীদের ম্যারাথন দৌড় শুরু হয় শুক্রবার দিনশেষে মধ্যরাতে।
তারপরও গরমে কাতর হয়ে ৪০ শতাংশ দৌড়বিদ মাঝপথেই বসে পড়েন।
মাঝরাতেও দোহায় তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৭০ শতাংশ।
ফলে, গভীর রাত হলেও অনেক দৌড়বিদ মাঝপথে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
উগান্ডার লিনেট চেবেটকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে।
প্রখ্যাত ইথিওপীয় ম্যারাথন কোচ হাজি আদিলো রোবা বলেন, তার তিনজন দৌড়বিদ মাঝপথে বসে গেছেন। তাদের মধ্যে টোকিও ম্যারাথন জয়ী রুতি আগাও রয়েছেন।
বিবিসিকে হাজি রোবা বলেন, “আমাদের দেশে এমন পরিবেশে কখনই ম্যারাথন হয়নি।”

‘গ্রহণযোগ্য মাত্রার ঝুঁকি’
রাতের বেলাতেও উঁচু তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন ম্যারাথনের শিডিউল অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
ম্যারাথন শুরুর আগে এক বিবৃতিতে আইএএএফ বলে, “স্বাস্থ্য ঝুঁকি সামলানোর সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এবং যে মাত্রার ঝুঁকি রয়েছে তা গ্রহণযোগ্য।”
বেলারুশের ম্যারাথন রানার ভোলহা মাজুরোনাক, যিনি পঞ্চম স্থানে শেষ করেছেন, রেস শেষের পর ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
“বাতাসে যে আর্দ্রতা তাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। দম নেওয়া যাচ্ছিল না। আমার ভয় হচ্ছিল আমি বোধ হয় শেষ করতে পারবো না।”
“একদল কর্মকর্তা বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এখানে প্রতিযোগিতা হবে…তারা হয়তো এখন ঠাণ্ডা ঘরে বসে আছেন। তারা হয়তো ঘুমচ্ছেন।”
‘আমরা গিনিপিগ’
প্রতিযোগিতার অধিকাংশ ইভেন্ট হচ্ছে দোহার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত খালিফা স্টেডিয়ামে, যেখানে তাপমাত্রা ২৩ থেকে ২৫ ডিগ্রি রাখা হচ্ছে।
কিন্তু ম্যারাথন এবং আজকের (শনিবার) ৫০ কিমি হাঁটার মত ইভেন্টগুলো হচ্ছে বাইরে।
৫০কিমি হাঁটা প্রতিযোগিতায় বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইয়োহান দিনিজ দোহার গরম এবং আর্দ্রতার মধ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজনে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।
“তারা আমাদের জ্বলন্ত চুলার মধ্যে ছেড়ে দিচ্ছে…আমাদের গিনিপিগ হিসাবে ব্যবহার করছে।”

আমিন/২৮সেপ্টেম্বর/২০১৯

Comments are closed.