rockland bd

বয়স্ক ও বিধবাভাতা পেতে সীমাহীন ভোগান্তি

0

তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি


বয়স্ক ও বিধবাভাতা পেতে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সুবিধাভোগীরা। ব্যাংকে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত একটানা বসে থেকেও মিলছে না ভাতার টাকা। তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি শাখা কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের শাখা ব্যাবস্থাপকের বিরুদ্ধে বয়স্ক ও বিধবাভাতা প্রদানে হয়রানীর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ইকরচালি ও হাড়িয়াড়কুঠি ইউনিয়ের ৩০০ জন ভাতা প্রাপ্তদের সকাল ৯ টায় কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে আসতে বলেন। সেই অনুযায়ী দুই ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ জন বৃদ্ধ/বৃদ্ধা ব্যাংকে উপস্থিত হলেও বিকাল ৪ টা পর্যন্ত তাদের প্রাপ্ত টাকা প্রাদান না করেনি।
হাড়িয়াড়কুঠি ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের বৃদ্ধা ফুলকুনি (৭৫) প্রতিবেদককে বলেন, সকাল ৯টার সময় চাউলের গুড়া খায়য়া কৃষি ব্যাংকত টাকা তুলির আনুক তা বাবা সন্ধ্যা হওয়া যায় ছোল টাকা পানুক না। স্যারের ঘর সকল থাকি খ্যালি কয় ছোল দেইছোল দেইছোল দায়ছে না।
একেই গ্রামের হামিদা বেগম (৬৫) বলেন, ভোকত মোর মাথা ঘোরেছে। সারাদিন যায়ছে স্যারের ঘর টাকা দেয়ছে না। ইকরচালি ইউনিয়নের তোফাজ্জল হোসেন (৭২) বলেন, বেলা ৮টা পার হয়ছে। তাও হামাক টাকা দেয়ছে না। স্যারের ঘর দুপরত খাবার গেলো সেই যে গেল আর আইসে নাই। ওমাক ভোগ নাগে, আর হামারা বুড়া/বুড়ির ঘরক ভোগ নাগে না।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংকের কয়েকজন কর্মচারী বলেন, নতুন এসেছেন তিনি। স্যারের ব্যবহার ভলো নয়। আমরা আর কি বলবো।
এ ব্যাপারে ইকরচালি কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মুরাদুনব্বী হয়রানীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ গুলো ঝামেলার কাজ। খাতাপত্র ঠিক করতে দেরি হচ্ছে। তাদের কষ্ট হলে আমার কি করার আছে।
সন্ধ্যায় তাদের টাকা প্রদান করা হবে কিন্তু বয়স্ক লোকদের সকাল ৯টায় আসতে বললেন কেন। এমন প্রশ্ন করায় তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, এটায় নিয়ম তাই সকালে তাদের আসতে বলা হয়েছে।

বাংলাটুডে২৪/ প্রবীর কুমার/আর এইচ

Comments are closed.