rockland bd

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা

0

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালেের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ।


মিঠু আহমেদ, জামালপুর প্রতিনিধি (বাংলাটুডে) : ২৫০ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভেতরে প্রকাশ্যে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার না পাবার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের সহকারি পরিচালক বলেন, নেতারা চাইলে আপনেও পারবেন স্খাপনা নির্মাণ করতে।

অভিযোগ উঠেছে, ২৫০ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভেতরে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান দেওয়ার আলোচনা হয় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে। আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সভার এই খবর প্রকাশ হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র হাসপাতাল সংশ্লিদের যোগসাজশে হাসপাতালের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে। সরকারি নিয়ম না মেনে হাসপাতালের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে রফিকুল ইসলাম বাবুল নামে একজন ব্যবসায়ী বৃহস্পতিবার সদর আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের পরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। কিন্তু এর পরেও থেমে নেই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়মে হাসপাতালের ভেতরে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান দিতে দরপত্র আহবান করে প্রদান করা হলে সরকারের কোষাগারে অন্তত কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব জমা হবে। প্রভাবশালী চক্রের সাথে যোগসাজসে ক্যান্টিন ও ওষুধের দোকান দেয়া হলে কেউ কেউ লাভবান হলেও সরকার বঞ্চিত হবে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে।
সরকারি হাসপাতালে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কাও করছেন ন্থানীয়রা।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডাঃ প্রফুল্ল কুমার সাহার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা যারা নির্মাণ করছে তারা কেউ কিছু জানায়নি। এ ব্যাপারে দরপত্র আহবান বা কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারি হাসপাতালের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা যে কেউ করতে পারে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে সহকারি পরিচালক জানান, নেতারা চাইলে আপনেও দিতে পারবেন।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম জানান, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয় রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে ক্যান্টিন চালানোর। কিন্তু কোন সিদ্ধান্ত হয়নি এখনো।

আমিন/০৭সেপ্টেম্বর/২০১৯

Comments are closed.