rockland bd

সৈয়দপুরে ৩ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি উদ্ধার

0

সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের নেতৃত্বে শহরের কুন্দল এলাকায় ওই খাস জমি উদ্ধার করা হয়।


রুখসানা জামান শানু, সৈয়দপুর প্রতিনিধি (বাংলাটুডে) : নীলফামারীর ঘনবসতি শহর সৈয়দপুরে দুই একর ৮৩ শতক সরকারি উদ্ধার খাস জমি করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত জমির বর্তমান বাজারমূল্য তিন কোটি টাকা। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের নেতৃত্বে শহরের কুন্দল এলাকায় ওই খাস জমি উদ্ধার করা হয়। এ সময় উদ্ধারকৃত জমিতে লাল নিশান স্থাপন করা হয়েছে। ওই সব সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে সেগুলো পাকা আধাপাকা বাড়িঘরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
উপজেলা ভূমি অফিস জানায়, সৈয়দপুর পৌরসভা এলাকার কুন্দল মৌজায় মোট দুই একর ৮৩ শতক সরকারি খাস জমি রয়েছে। এর মধ্যে এক নম্বর এস এ খতিয়ানের ৮০৮ দাগ থেকে ৮৭৮ দাগ পর্যন্ত ২ একর ৫০ শতক এবং একই খতিয়ান নম্বরের ৯৫৭ দাগে ৩০ শতক জমি রয়েছে। ওই সরকারি খাস জমিগুলো দীর্ঘদিন ধরে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজ দখলে রেখে ভোগ করে আসছিলেন। সেই সঙ্গে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি আবার সে সব জমি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অন্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। এতে করে পর্যায়ক্রমে ওই সব সরকারি খাস জমিতে বিপুল সংখ্যক পাকা আধাপাকা বসত বাসাবাড়ি গড়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের নেতৃত্বে এলাকার বিভিন্নজনের দখলে থাকা সরকারি খাস জমি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে সৈয়দপুর উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ওই খাস জমি দীর্ঘ সময় ধরে গ্রাম্য আমিন দিয়ে মাপজোক শেষে সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান স্থাপন করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত জমির বতর্মান বাজার মূল্য তিন কোটি টাকার বেশি হবে বলে জানা গেছে। জমি উদ্ধার অভিযানে সৈয়দপুর পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম, সার্ভেয়ার রিপন কুমার প্রামানিক,অফিস সহকারি শাহ্ আমানত সুফীসহ সৈয়দপুর খানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দপুর উপজেলা কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার বলেন, ভুমি অফিসের কাগজপত্রে ওই জমিগুলো খাস হিসেবে রয়েছে। এর আগে সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে ওই সরকারি খাস জমি সার্ভে করা হয়। এ সময় দেখা যায় সরকারি খাস জমি দখল করে অনেকই পাকা আধাপাকা বাসাবাড়ি গড়ে তুলেছেন। পরে অভিযান পরিচালনা করে সরকারি খাস জমি চিহ্নিত করে লাল সীমানা (নিশান) স্থাপন করা হয়। উদ্ধারকৃত ওই খাস জমিতে সরকারিভাবে গুচ্ছগ্রাম কিংবা আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে বলে জানান তিনি।

আমিন/৩০জুলাই/২০১৯

Comments are closed.