rockland bd

গাইবান্ধায় নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

0

তিস্তা ৯ সে.মি ও ঘাঘট নদীর পানি ১১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


শাহজাহান সিরাজ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি (বাংলাটুডে) : ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার নদ নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, শনিবার ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার ৩৭ সে.মি., তিস্তা ৯ সে.মি ও ঘাঘট নদীর পানি ১১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া যমুনা, তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। ফলে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা এবং সদর উপজেলায় নদী তীরবর্তী ও বিভিন্ন চরাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ফলে ওইসব এলাকার বিভিন্ন ফসলী জমি ও রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গেছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে যাওয়ায় সেখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া, কাবিলপুর, গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী, গলনা, ফুলছড়ি ইউনিয়নের দেলুয়াবাড়ী, ফজলুপুর ইউনিয়নের পূর্ব খাটিয়ামারী, উজালডাঙ্গা, বাজে তেলকুপি, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের হরিচন্ডি, জিগাবাড়ী, সন্যাসীর চর এবং সুন্দরগঞ্জের হরিপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকায় তিস্তার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
গত এক সপ্তাহে ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জের ওইসব এলাকায় শতাধিক পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ জানান, সদর উপজেলার রায়দাসবাড়ি, ফুলছড়ি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি, জামিরা, গজারিয়া ইউনিয়নের গলনা, ফজলুপুর এখন বন্যা কবলিত। এই সমস্ত এলাকায় নদী ভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই সমস্ত এলাকায় এ পর্যন্ত ১২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, নদীর পানি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর বাঁধ হুমকির মুখে পড়বে।

আমিন/১৪জুলাই/২০১৯

Comments are closed.