rockland bd

শেরপুরে বটতলা-ভবানীপুর রাস্তাটি দখলবাজের কবলে

0

এমনিতেই সড়কের বেহাল অবস্থা, তার ওপর অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কটি দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে।


আব্দুল ওয়াদুদ, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি (বাংলাটুডে) : বগুড়ার শেরপুরের শেরুয়া বটতলা-ভবানীপুর সরকারী রাস্তার জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে শত শত অবৈধ স্থাপনা। অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কটি দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। এরফলে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল, হামিদ, বেলালসহ আরো অনেকের বিরুদ্ধে এই রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার শেরুয়া বটতলা সংলগ্ন সরকারী মৎস্য অফিসের পশ্চিম পার্শ্ব সংলগ্ন শেরুয়া বটতলা হতে ভবানীপুর পর্যন্ত সড়কের সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে টিনশেড, দোচালা-চৌচালা টিনের দোকান ও গোডাউন নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কের জায়গায় অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে শেরুয়া বটতলা সংলগ্ন সরকারী মৎস্য অফিসের পশ্চিম পার্শ্বের রাস্তাটিকে দেখলে আপাত:দৃষ্টিতে মনে হচ্ছিল এটি অজপাড়া গ্রামের কোন এক কর্দমাক্ত রাস্তা। কিন্তু বাস্তবতায় এটি মূলত পাকা রাস্তা।
এলাকার সচেতন কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান, এসকল অবৈধ দখলদাররা রাস্তার জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের সময় রাস্তা থেকে একটু উঁচু করে এসকল ঘর নির্মাণ করে থাকে যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই এ পানি আশ-পাশে গড়িয়ে যেতে না পারায় পাকা রাস্তাতেই থেকে যায়। এভাবে রাস্তার উপর পানি থাকা অবস্থায় একের পর এক গাড়ি চলাচলে রাস্তা কয়েক মাসেই নষ্ট হয়ে যায়।
অটোচালক সোহাগ বলেন, সরকারী এ রাস্তাটি সুন্দরভাবে নির্মিত হলেও এসব দখলদারদের কারণে রাস্তা নানাভাবে নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তা দখল করে গাড়ী লোড-আনলোড করা হয়। দখলের কারণে রাস্তা ছোট হওয়ায় আমরা মাঝে মাঝেই দূর্ঘটনায় পড়ি।
স্থানীয় শাহ্ বন্দেগী ইউপি সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, এসব দখলদারদের সরকারী রাস্তা হতে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরানোর জন্য মৌখিকভাবে বলা হলেও তারা তাতে কর্নপাত করেননি। দীর্ঘদিন যাবত রাস্তার জায়গা দখল করে আছে রফিকুল।
অভিযুক্ত ব্যক্তি রফিকুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ৫ তলা ভবন নির্মান করছি এ ভবনটি নির্মিত হলেই সরকারী রাস্তার উপর নির্মান করা গোডাউনটি সরিয়ে নিব। অথচ, তার ভবনের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ এক বছর যাবৎ শেষ হলেও তিনি সরকারী রাস্তা থেকে গোডাউনটি এখনও সরাননি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, সরকারী রাস্তা দখলের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

আমিন/১৩জুলাই/২০১৯

Comments are closed.