rockland bd

যাত্রাবাড়ী-মিরপুরসহ বিভিন্ন সড়কে পরিবহনশ্রমিকেরা, বাস বন্ধ

0

নিজস্ব প্রতিবেদন, ঢাকা


রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের পাঁচদিনব্যাপী চলমান আন্দোলনে যানবাহন চলাচলে স্থবিরতা আজ ষষ্ঠ দিনের মতও অব্যাহত রয়েছে। আজও রাজধানীতে দেখা মিলছে না গণপরিবহনের।
তবে আজ শিক্ষর্থীরা নয় বরং বাস বন্ধ রাখার পাশাপাশি অন্যান্য যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছেন গনপরিবহন শ্রমিকরা।
এতে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য রিকশা হচ্ছে একমাত্র ভরসা। সেটিও শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ করে দিয়েছে গণপরিবহনের শ্রমিকরা।
আজ সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় নিরাপত্তার দাবিতে রাজধানীর আভ্যন্তরীণ সকল পরিবহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে শ্রমিকরা। সেই সঙ্গে সকল প্রকার যানবাহনের পাশাপাশি রিকশা চলাচলেও বাধা দিচ্ছে তারা। এতে সাধারণ মানুষরা সায়েদাবাদ এলাকায় শ্রমিকদের বাধার মুখে পড়ে রিকশা থেকে নেমে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। একই অবস্থা মিরপুরের কালশী রোডে। গতকাল বৃহস্পতিবারের মতো আজ শুক্রবারও গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছাড়েনি।
নিরাপত্তার দাবিতে আজ সকাল থেকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নেন পরিবহন শ্রমিকেরা। তাঁরা বিক্ষোভ করছেন। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, তাঁরা গত পাঁচ দিন ধরে ঠিকমতো বাস চালাতে পারছেন না। তাঁরা মারধরের শিকার হচ্ছেন। হামলায় যানবাহনেরও ক্ষতি হচ্ছে।
সকালে মিরপুরের কালশী রোডে পরিবহন শ্রমিকেরা অবস্থান নেন। তাঁদের অবস্থানের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়ক দিয়ে গণপরিবহন চলছে না। মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরেও পরিবহন শ্রমিকদের অবস্থানের খবর পাওয়া গেছে।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা জানান, গাবতলী থেকে কোনো বাস ছাড়ছে না।
সাধারণ মানুষদের ভাষ্য, এতদিন ধরে গাড়ি চলছে না, তাই রিকশা দিয়ে চলাচল করছি। আজকে তো শ্রমিকরা রিকশা চলাচলও বন্ধ করে দিল। তাহলে তো ঢাকা একেবারেই অচল। এতো দুর্ভোগ নিয়ে যতসব কষ্ট আমাদেরকেই করতে হয়।
তবে দুর্ভোগের হলেও কিছু করার নেই বলে জানান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা মো. কিরন হোসেন। তিনি বলেন, আমরা পাঁচ দিন ধরে গাড়ি চালাতে পারছি না। দুর্ভোগ তো আমাদেরও হচ্ছে। আমরা কি না খেয়ে মরব নাকি? আমাদের গাড়ি চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়ার পর গাড়ি চলতে দেওয়া হবে। নয়ত আন্দোলন চলবে।

বাংলাটুডে২৪/এইচ এ

Comments are closed.