rockland bd

খাগড়াছড়িতে পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘’বৈসাবির’ উদ্বোধন

0


সোহাগ মজুমদার, খাগড়াছড়ি ১০ এপ্রিল (বাংলাটুডে) :
পার্বত্য অঞ্চল তথা পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘‘বৈসাবি” এর শুভ উদ্বোধন হলো খাগড়াছড়িতেও।
ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব নামে ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, মারমা ভাষায় সাংগ্রাই এবং চাকমা ভাষায় বিজু নামে এ উৎসব পালন হয়ে থাকে। এ তিন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষার নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে ‘‘বৈসাবি” নামকরণ করা হয়।
খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বৈসাবি উৎসব এর শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমেই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতেও শুরু হলো।
মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এ উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক (এনএসডব্লিউসি, পিএসসি), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান। খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য ও খাগড়াছড়ি বার এসোসিয়েশন এর সভাপতি এ্যাডভোকেট আশুতোষ চাকমা প্রমূখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক জিতেন চাকমাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৈসাবি উৎসবকে ঘিরে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে মেলা বসেছে।
ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামে তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খিয়াং, লুসাই, পাংখোয়া, ম্রো, খুমি, আসাম, চাক ও রাখাইনসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়ে তাদের ভাষা-সংস্কৃতি ও অবস্থানকে বৈচিত্রময় করে তুলতে প্রতি বছর চৈত্রের শেষ দিন থেকে বৈসাবি উৎসব পালন করে থাকে।

আমিন/১০এপ্রিল/২০১৯

Comments are closed.