rockland bd

কুষ্টিয়া ও ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত

0

ইউএনবির প্রতিবেদন


পুলিশের সঙ্গে পৃথক দুটি বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে ১৩৯ জন নিহত হলেন। নিহতরা হলেন কুষ্টিয়ায় শহর আলী (৩৮) এবং ময়মনসিংহের মাদক ব্যবসায়ী ও পলাতক আসামি আহসান উল্লাহ খান নোমান (৪০)।

আজ সোমবার ভোরে কুষ্টিয়ার শহরতলীর শেখ রাসেল সেতুর নিচে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন শহর আলী। তিনি কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার বক্সের ছেলে।

এ সম্পর্কে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একদল মাদক ব্যবসায়ী শহরের হরিপুর-কুষ্টিয়া সংযুক্ত রাসেল সেতুর নিচে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ একজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

পরে পুলিশ জানতে পারে নিহত ব্যাক্তি জেলার তালিকা ভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শহর আলী। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ১২টি মাদকের মামলা রয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি ওয়ান শুটারগান, তিন রাউন্ড গুলি ও ছয় পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার এসআই আতিকুর রহমানসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ নিহত শহর আলীর লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

এর আগে রোববার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের রঘুরামপুর এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন পলাতক আসামি আহসান উল্লাহ খান নোমান।

পুলিশের দাবি, নিহত নোমান নগরীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ ১৪টির বেশি মামলা রয়েছে। এছাড়াও তিনি পুলিশের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। নোমান নগরীর সেনবাড়ী এলাকার মঞ্জুরুল হক খানের ছেলে।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আহসান উল্লাহ খান নোমান উপজেলার চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের রঘুরামপুর এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় নোমানের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল নিক্ষেপসহ এলোপাথাড়ি গুলি করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

দুই পক্ষের গুলাগুলি চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নোমান। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নোমানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ( এসআই ) তানজিল, কনেস্টেবল ইলিয়াস ও সামিউল নামে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের জেলা পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি চাপতি, একটি চাইনিজ ছুরি ও ৪৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানান ওসি।

বাংলাটুডে২৪/আর এইচ

Comments are closed.