rockland bd

সাড়ে ৪ লাখ কৃষককে উফশী আউশ বীজ ও সার দেবে সরকার

0


ডেস্ক রিপোর্ট ,ঢাকা (বাংলাটুডে) :
ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের জন্য সরকার প্রণোদনা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানিয়ছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মলেন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের প্রণোদনা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। প্রতি বছরের মতো এবারো খরিপ-১/২০১৯-২০ মৌসুমে উফশী আউশ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি সাধন করেছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন এবং কৃষির প্রসারে বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবন, উফশী জাত ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রবর্তন করেছে। আউশ ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আবাদের এলাকা বৃদ্ধি ও পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা, কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তোলা এবং একই সঙ্গে উচ্চফলনশীল জাতের আউশ ধান আবাদ বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ৪ লাখ ৫৮ হাজর ২২৬ জন কৃষককে উফশী আউশ বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। এ বাবদ ব্যয় হবে মোট ৪০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা।
তিনি বলেন, একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ (প্রতিকেজি ৫৮ টাকা হিসেবে ২৯০ টাকা), ১৫ কেজি ডিএপি সার (প্রতি কেজি ২৩ টাকা হিসেবে ৩৪৫ টাকা), ১০ কেজি এমওপি সার (প্রতি কেজি ১৩ টাকা হিসেবে ১৩০ টাকা), পরিবহন ব্যয় ৯০ টাকা এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় ২০ টাকাসহ মোট ৮৭৫ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমানে আউশ মৌসুম সারাদেশে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪১২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে৷ এর মধ্যে ৬১ হাজার ৩৫৪.০৮১ হেক্টর জমিতে এ প্রণোদনা কার্যক্রমেন মাধ্যমে জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, প্রণোদনার আওতাধীন জমি থেকে চাল উৎপাদন হবে প্রায় ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫২ মেট্রিকটন যার মূল্য ৫৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪০ টাকা। খড় উৎপাদন হবে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৩ মেট্রিকটন যার মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৬ টাকা। অর্থাৎ চাল ও খড় উৎপাতন বাবদ মোট আয় হবে ৬০৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯৪৫ টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমিন/২১মার্চ/২০১৯

Comments are closed.