rockland bd

থাই গুহা থেকে ৪ কিশোরকে বের করে আনা হল

0

রয়টার্স, বিবিসি, সিএনএন


১৫ দিন ধরে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে থাকার পর ১২ কিশোর ফুটবলারদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবারের মতো অভিযান স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে আবারও অভিযান শুরু হবে। উদ্ধারকৃত কিশোরদের সংখ্যা ছয়ও হতে পারে বলে অনেক মিডিয়ায় বলা হচ্ছে। তবে এ সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়।


উদ্ধার অভিযানের প্রধান নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন বলেন, ‘আমরা শিগগিরই আবার অভিযান শুরু করব। ঠিক করে বলা যাচ্ছে না, কখন নতুন করে অভিযান শুরু হবে। নতুন করে অভিযানের প্রস্তুতি নিতে ১০ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন। গুহার বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপন করতে হবে।’

এর আগে কর্মকর্তা ও মেডিকেল কর্মীদের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সময় ৮ জুলাই রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে চিয়াং রাই প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান টোসাথেপ বুনথং বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং সবাই ভালো রয়েছে।

এর আগে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা পরে নিশ্চিত করেছেন, প্রথম দুজনের পরে আরও একজন কিশোরকে গুহা থেকে বের করতে দেখেছেন তারা।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনকে হেলিকপ্টারে করে ৫০ মাইল দূরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে উদ্ধারকৃত সবাইকেই ওই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কয়েকজন অভিভাবক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘তারা অর্ধেক খুশি, অর্ধেক চাপমুক্ত’।

সরকার এর আগে বলেছিল, প্রথম কিশোরকে উদ্ধার করতে অন্তত ১১ ঘন্টা সময় লাগবে। কিন্তু দেখা গেল সবচেয়ে আশাবাদী এ সময়ের চেয়েও কমপক্ষে দুই ঘন্টা আগে তাদেরকে উদ্ধার করা গেল।

এর অগে স্থানীয় সময় ৮ জুলাই রবিবার সকাল ১০টায় ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে উদ্ধারে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে উদ্ধারকারীরা। ১৩ জন উচ্চপ্রশিক্ষিত বিদেশি ও পাঁচজন থাই নেভি উদ্ধারকারী ডাইভার এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। একে একে সব কিশোরকে বের করে আনতে তিন-চার দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে উদ্ধার অভিযানের প্রধান কমান্ডার নারোংসাক ওসোটানাকোর্ন জানান, ছেলেদের মনোবল শক্ত আছে, তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এবং বাইরে বেরিয়ে আসতে বদ্ধপরিকর।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, উদ্ধারে যন্ত্রপাতির মধ্যে এয়ার ট্যাংক ও ফুল ফেস মাস্ক লাগবে। প্রতি কিশোরকে সঙ্গ দেবে দুজন করে ডাইভার। তারা তিনজন একসঙ্গে ডাইভ দেবে। এর আগে ডাইভাররা দড়ি দিয়ে যে পথনির্দেশিকা স্থাপন করেছিলেন, সেটি ধরেই অগ্রসর হবেন ডাইভাররা।

যখন সংকীর্ণ পথ সামনে আসবে, তখন ডাইভাররা তাদের পেছনের এয়ার ট্যাংক খুলে হাতে নেবেন এবং ছেলেটি ও ট্যাংকটিকে আস্তে করে ওই চিকন পথ দিয়ে পার করাবেন। এভাবে তারা চেম্বার ৩ পর্যন্ত যাবেন।

চেম্বার ৩ থেকে ছেলেদের অন্য একটি দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারা সেখান থেকে হেঁটে বের হবে। সরকার সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই উদ্ধার অভিযান হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ছেলেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তে পারে।

কিশোরদের মুখে মুখোশ
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, গুহা থেকে কিশোর ফুটবলারদের মুখে মুখোশ পরিয়ে বের করে আনা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এ কাজ করা হয়েছে। আর এ উদ্ধার কাজকে ঝামেলাহীন বলছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

বাংলাটুডে২৪/এইচ এ

Comments are closed.