rockland bd

সিলেটে স্কুলছাত্র ইমন হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

0

স্কুলছাত্র শিশু ইমন

জেলা প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ (বাংলাটুডে) : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র শিশু ইমন হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজাউল করিম আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায়ে প্রত্যেক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার বাতিরকান্দি গ্রামের সালেহ আহমদ, রফিক, জায়েদ ও ব্রাহ্মণ জুলিয়া গ্রামের সুজন।
তাদের মধ্যে বাতিরকান্দি গ্রামের সালেহ আহমদ ছাড়া বাকি তিনজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। সে পলাতক রয়েছে।
নিহত ইমনের বাবা জহুর আলী ছেলের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে।
পরে ওই বছরের ৮ এপ্রিল মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর ২০১৬ সালের ২১ নভেম্বর ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কিশোর কুমার কর বলেন, ইমন হত্যা মামলা একটি চাঞ্চল্যকর মামলা। লোমহর্ষক এই হত্যার বিষয়ে আমরা আদালতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।
বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী এ কে এম শিবলী ও এ কে এম শামিউল আলম। আর আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন শহিদুজ্জামান চৌধুরী।

হাসান/৬/২/১৯

Comments are closed.